২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

এসি বিস্ফোরণে আগুনের গ্রাসে হাসপাতাল, ইসলামাবাদে মৃত্যু ১৫ সদ্যোজাতের

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
  • 117
একটা বিস্ফোরণ। মুহূর্তে আগুনের গ্রাসে গোটা হাসপাতাল। পাকিস্তানের রাজধানী শহর ইসলামাবাদের একটি সরকারি হাসপাতালে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হল ১৫ সদ্যোজাতের।
       বুধবার বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ঘটে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের স্ত্রীরোগ বিভাগের নেওনেটাল ওয়ার্ডে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জিও টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগুন লাগার সময় ওয়ার্ডে ছিল ১৬টি সদ্যোজাত। তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ওয়ার্ডেই। দমকলকর্মীরা বহু চেষ্টা করেও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি।
কী কারণে এই ভয়াবহ আগুন? কোথায় ছিল গাফিলতি? প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, নবজাতক ওয়ার্ডের ভিতরে থাকা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কম্প্রেসর বিস্ফোরণ করেই আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের গ্রাসে চলে যায় হাসপাতালের পুরো ওয়ার্ড। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন সব শেষ। লোকে মুহ্যমান গোটা হাসপাতাল। হাসপাতাল চত্বরে ঠান্ডা করার কাজ চলে চলে দীর্ঘক্ষণ। পকেট ফায়ারের আতঙ্কে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি কাউকে।
      ইসলামাবাদের ওই সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ সত্ত্বেও কী করে এসির কম্প্রেসারে বিস্ফোরণ ঘটল, তা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ১৫ জন সদ্যোজাত সম্পূর্ণরূপে ঝলসে গিয়েছিল। দ্রুতই বিপর্যয় মোকাবিলা টিম এবং দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা যেভাবে গ্রাস করেছিল হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডকে, তাতে শিশুদের রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভানোর আগে ওই ওয়ার্ডে ঢোকার মতো অবস্থা ছিল না। গোটা উদ্ধার প্রক্রিয়ায় ৬টি দমকলের গাড়ি আসে। দমকল কর্মীদের নিরন্তর চেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসনের তরফে একটি তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে। অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে সেই কমিটি খতিয়ে দেখবে কী কারণে এই আগুন লাগল। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে কমিটি।

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

এসি বিস্ফোরণে আগুনের গ্রাসে হাসপাতাল, ইসলামাবাদে মৃত্যু ১৫ সদ্যোজাতের

আপডেট : ২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
একটা বিস্ফোরণ। মুহূর্তে আগুনের গ্রাসে গোটা হাসপাতাল। পাকিস্তানের রাজধানী শহর ইসলামাবাদের একটি সরকারি হাসপাতালে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হল ১৫ সদ্যোজাতের।
       বুধবার বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড ঘটে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসের স্ত্রীরোগ বিভাগের নেওনেটাল ওয়ার্ডে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জিও টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগুন লাগার সময় ওয়ার্ডে ছিল ১৬টি সদ্যোজাত। তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ওয়ার্ডেই। দমকলকর্মীরা বহু চেষ্টা করেও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি।
কী কারণে এই ভয়াবহ আগুন? কোথায় ছিল গাফিলতি? প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, নবজাতক ওয়ার্ডের ভিতরে থাকা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কম্প্রেসর বিস্ফোরণ করেই আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের গ্রাসে চলে যায় হাসপাতালের পুরো ওয়ার্ড। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তখন সব শেষ। লোকে মুহ্যমান গোটা হাসপাতাল। হাসপাতাল চত্বরে ঠান্ডা করার কাজ চলে চলে দীর্ঘক্ষণ। পকেট ফায়ারের আতঙ্কে ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি কাউকে।
      ইসলামাবাদের ওই সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ সত্ত্বেও কী করে এসির কম্প্রেসারে বিস্ফোরণ ঘটল, তা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ১৫ জন সদ্যোজাত সম্পূর্ণরূপে ঝলসে গিয়েছিল। দ্রুতই বিপর্যয় মোকাবিলা টিম এবং দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। কিন্তু আগুনের লেলিহান শিখা যেভাবে গ্রাস করেছিল হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডকে, তাতে শিশুদের রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। আগুন নেভানোর আগে ওই ওয়ার্ডে ঢোকার মতো অবস্থা ছিল না। গোটা উদ্ধার প্রক্রিয়ায় ৬টি দমকলের গাড়ি আসে। দমকল কর্মীদের নিরন্তর চেষ্টায় আগুন নেভানো সম্ভব হয়। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য জেলা প্রশাসনের তরফে একটি তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে। অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে সেই কমিটি খতিয়ে দেখবে কী কারণে এই আগুন লাগল। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে কমিটি।