১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্টলে নেতাজির ছবি দেখে ক্ষুব্দ ইতিহাসবিদেরা

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস বাঙালির প্রিয় বিষয়গুলির মধ্যে একটা। তেমনি এমন কোনো বাঙালি নেই যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা করেনা।

কিন্তু এই দিন বইমেলায় এক দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ ইতিহাসবিদরা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্টলের গায়ে সঙ্ঘ পরিবারের অন্যতম প্রাণপুরুষ গোলওয়ালকর, হেডগেওয়ারের পাশেই রয়েছেন সুভাষচন্দ্র। এই দৃশ্যের নিন্দা করেছেন অনেক ইতিহাসবিদ থেকে বাঙালি। তাদের দাবি এই কাজের দ্বারা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে অপমান করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

তবে এই অভিযোগে বেজায় চটছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা। পরিষদের পূর্বাঞ্চলীয় সম্পাদক অমিয় সরকার বলছেন, ‘‘সুভাষ কি ভারতের বাইরে? তিনি আমাদের রাষ্ট্রনেতা।’’ বইমেলার স্টলে স্বামী বিবেকানন্দের ছবিও রয়েছে। বিবেকানন্দও তাঁদের রাষ্ট্রঋষি বলে দাবি ভিএইচপি নেতার।

এক ইতিহাসবিদের বক্তব্য “বড়সড় গালভরা ভাতৃত্বের আদর্শের কথা মুখে বললেই হল না! বাবরি ধ্বংস, গুজরাত গণহত্যা থেকে গোরক্ষার নামে মানুষ হত্যায় ভিএইচপি-র ভূমিকাই বলে দিচ্ছে, তাদের অবস্থানটা আসলে কী। সুভাষচন্দ্রের নাম মুখে আনার যোগ্যতাও ওদের নেই।”

এই দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ সুগত বসু (সুভাষচন্দ্র বসুর ভ্রাতুষ্পুত্রের পুত্র) বলেন “এ ভাবে সুভাষকে আত্মসাৎ করা যায় না। দেশের মানুষ জানেন, তাঁর মতাদর্শ হিন্দুত্ববাদীদের বিপরীত মেরুতে। তা ছাড়া, দেশের ঐক্য সাধনার কাজে একমাত্র গান্ধীর পাশেই সুভাষের ছবি মানায়।”

এবার আরো ধাক্কা তৃণমূলে, পদত্যাগ রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেবের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্টলে নেতাজির ছবি দেখে ক্ষুব্দ ইতিহাসবিদেরা

আপডেট : ১ মার্চ ২০২২, মঙ্গলবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস বাঙালির প্রিয় বিষয়গুলির মধ্যে একটা। তেমনি এমন কোনো বাঙালি নেই যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা করেনা।

কিন্তু এই দিন বইমেলায় এক দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ ইতিহাসবিদরা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের স্টলের গায়ে সঙ্ঘ পরিবারের অন্যতম প্রাণপুরুষ গোলওয়ালকর, হেডগেওয়ারের পাশেই রয়েছেন সুভাষচন্দ্র। এই দৃশ্যের নিন্দা করেছেন অনেক ইতিহাসবিদ থেকে বাঙালি। তাদের দাবি এই কাজের দ্বারা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে অপমান করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

তবে এই অভিযোগে বেজায় চটছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা। পরিষদের পূর্বাঞ্চলীয় সম্পাদক অমিয় সরকার বলছেন, ‘‘সুভাষ কি ভারতের বাইরে? তিনি আমাদের রাষ্ট্রনেতা।’’ বইমেলার স্টলে স্বামী বিবেকানন্দের ছবিও রয়েছে। বিবেকানন্দও তাঁদের রাষ্ট্রঋষি বলে দাবি ভিএইচপি নেতার।

এক ইতিহাসবিদের বক্তব্য “বড়সড় গালভরা ভাতৃত্বের আদর্শের কথা মুখে বললেই হল না! বাবরি ধ্বংস, গুজরাত গণহত্যা থেকে গোরক্ষার নামে মানুষ হত্যায় ভিএইচপি-র ভূমিকাই বলে দিচ্ছে, তাদের অবস্থানটা আসলে কী। সুভাষচন্দ্রের নাম মুখে আনার যোগ্যতাও ওদের নেই।”

এই দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ সুগত বসু (সুভাষচন্দ্র বসুর ভ্রাতুষ্পুত্রের পুত্র) বলেন “এ ভাবে সুভাষকে আত্মসাৎ করা যায় না। দেশের মানুষ জানেন, তাঁর মতাদর্শ হিন্দুত্ববাদীদের বিপরীত মেরুতে। তা ছাড়া, দেশের ঐক্য সাধনার কাজে একমাত্র গান্ধীর পাশেই সুভাষের ছবি মানায়।”