১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দাম বাড়লেও হাল ফেরেনি হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতাদের

জলপাইগুড়ি: দাম বাড়লেও হাল ফেরেনি হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতাদের। এক পয়সা দরের হাওয়াই মিঠাই বর্তমানে পাঁচ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তা সত্ত্বেও সংসারের একই হাল রয়েছে বলে জানান, জলপাইগুড়ি‌র দীর্ঘদিনের হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতা রাম বাহাদুর সাইনি। তিনি বলেন, “একসময় এক পয়সা দরে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করেছি। এখন পাঁচ টাকা দিয়ে এক একটি হাওয়াই মিঠাই বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আগে যেমন সংসার চলত এখনও সেভাবেই চলছে।” জলপাইগুড়ি শহরের মাসকালাইবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রাম বাহাদুর সাইনি। শহরে গ্রামে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দীর্ঘদিন ধরেই হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছেন ।

তিনি বলেন, “এক পয়সার দরে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে আগে সারাদিনে এক টাকা রোজগার হত। এখন পাঁচ টাকা দরে হাওয়ায় মিঠাই বিক্রি করে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ টাকা রোজগার হয়। কিন্তু সংসার চলছে সেই একইভাবেই।”

চিনির সাথে রঙ মিশিয়ে তৈরী হয় হাওয়া মিঠাই।এই মিঠাই তৈরী হয় মেশিনে।তারপরে এই মিঠাই বিক্রি করেন হাওয়াই মিঠাইএর ফেরিওয়ালারা।রাম বাহাদুর সাহানীর কথায় আগে এই হাওয়া মিঠাই বিক্রি করে দিনে দেড় হাজার টাকা লাভ হত।ওই টাকা দিয়েই তো বাড়ি করেছি,মেয়েদের বিয়ে দিয়েছি ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছি নিজের এবং স্ত্রীর চিকিৎসা করিয়েছি,নিজের পছন্দসই খাবার খেতে পেরেছি,ঘুরে বেড়িয়েছি সপরিবারে,আর এখন কিছুই হয় না,ছেলেমেয়েরা না করে এইভাবে ফেরি করতে বয়স হয়েছে,কিন্তুু নেশা হয়ে গেছে তাই যতদিন শরীর সুস্থ থাকবে বের হবই।ছেলে মোবাইল কিনে দিয়েছে যাতে অসুবিধা না হয়,তবুও করছি।আগের মতন আর বাইরে থাকি না,দশটা থেকে তিনটে পযর্ন্ত করে চলে যাই বাড়ি।এখন দিনে তিনশো টাকা বিক্রি করি।আমার হাতখরচ উঠে আসে।আমি যতদিন সুস্থ থাকবো ফেরি করতে বের হব।গর্বের সাথে জানালেন তিনি।

এবার আরো ধাক্কা তৃণমূলে, পদত্যাগ রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেবের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দাম বাড়লেও হাল ফেরেনি হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতাদের

আপডেট : ৪ ডিসেম্বর ২০২১, শনিবার

জলপাইগুড়ি: দাম বাড়লেও হাল ফেরেনি হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতাদের। এক পয়সা দরের হাওয়াই মিঠাই বর্তমানে পাঁচ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তা সত্ত্বেও সংসারের একই হাল রয়েছে বলে জানান, জলপাইগুড়ি‌র দীর্ঘদিনের হাওয়াই মিঠাই বিক্রেতা রাম বাহাদুর সাইনি। তিনি বলেন, “একসময় এক পয়সা দরে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করেছি। এখন পাঁচ টাকা দিয়ে এক একটি হাওয়াই মিঠাই বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আগে যেমন সংসার চলত এখনও সেভাবেই চলছে।” জলপাইগুড়ি শহরের মাসকালাইবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রাম বাহাদুর সাইনি। শহরে গ্রামে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে দীর্ঘদিন ধরেই হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করছেন ।

তিনি বলেন, “এক পয়সার দরে হাওয়াই মিঠাই বিক্রি করে আগে সারাদিনে এক টাকা রোজগার হত। এখন পাঁচ টাকা দরে হাওয়ায় মিঠাই বিক্রি করে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ টাকা রোজগার হয়। কিন্তু সংসার চলছে সেই একইভাবেই।”

চিনির সাথে রঙ মিশিয়ে তৈরী হয় হাওয়া মিঠাই।এই মিঠাই তৈরী হয় মেশিনে।তারপরে এই মিঠাই বিক্রি করেন হাওয়াই মিঠাইএর ফেরিওয়ালারা।রাম বাহাদুর সাহানীর কথায় আগে এই হাওয়া মিঠাই বিক্রি করে দিনে দেড় হাজার টাকা লাভ হত।ওই টাকা দিয়েই তো বাড়ি করেছি,মেয়েদের বিয়ে দিয়েছি ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছি নিজের এবং স্ত্রীর চিকিৎসা করিয়েছি,নিজের পছন্দসই খাবার খেতে পেরেছি,ঘুরে বেড়িয়েছি সপরিবারে,আর এখন কিছুই হয় না,ছেলেমেয়েরা না করে এইভাবে ফেরি করতে বয়স হয়েছে,কিন্তুু নেশা হয়ে গেছে তাই যতদিন শরীর সুস্থ থাকবে বের হবই।ছেলে মোবাইল কিনে দিয়েছে যাতে অসুবিধা না হয়,তবুও করছি।আগের মতন আর বাইরে থাকি না,দশটা থেকে তিনটে পযর্ন্ত করে চলে যাই বাড়ি।এখন দিনে তিনশো টাকা বিক্রি করি।আমার হাতখরচ উঠে আসে।আমি যতদিন সুস্থ থাকবো ফেরি করতে বের হব।গর্বের সাথে জানালেন তিনি।