০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

ফ্রান্সের প্রবল গরমে মৃত্যুর মিছিল, গেরোস্থানে আর জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না

নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমে এক ভয়াবহ অবস্থা প্রায় সমস্ত ইউরোপ জুড়ে। তারমধ্যে খুবই খারাপ অবস্থা ফ্রান্স জার্মানির। ব্যাপক গরমে ভয়াবহ অবস্থা ইউরোপের। চলতি বছরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই হতেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হিটওয়েভের জেরে ফ্রান্স-সহ একাধিক দেশে চলছে মৃত্যুমিছিল। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, শেষকৃত্য করার জন্য যানজট লেগে গিয়েছে। কবরস্থানে আন্তেষ্টিক্রিয়ার তারিখ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকী মর্গেও দেহ রাখার কোনও জায়গা ফাঁকা নেই। ফ্রান্সের পাবলিক হেলথ এজেন্সি সম্প্রতি জানিয়েছে, শেষ বুধবার থেকে রবিবারের মধ্যে অর্থাৎ ৫ দিনে মৃতের সংখ্যা ১০০০ পেরিয়েছে। আর এই সংখ্যা ক্রমে ক্রমেই বাড়ছে।প্যারিসের কাছে অরলি এলাকার একটি শেষকৃত্য পরিষেবা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা জুহায়ের হারতেলি জানিয়েছেন, তাঁদের কোল্ড স্টোরেজে ৩২টি মৃতদেহ রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু এখন সব কটি জায়গাই ভরে গিয়েছে।

প্রতিটি ড্রয়ারে মৃতের নাম, মরদেহ আসার তারিখ এবং সংরক্ষণের তাপমাত্রা উল্লেখ করা রয়েছে। তিনি জানান, এই সপ্তাহান্তে মরদেহ নেওয়ার জন্য কম করে ১৫০টি ফোন পেয়েছিলেন। কিন্তু অবস্থা এমন যে, একটি দেহও নিতে পারেননি। কারণে মর্গে দেহ রাখার আর জায়গাই নেই। হারতেলি জানান, মৃতদেহ রাখার জায়গার খোঁজেমৃতদের পরিবারের সদস্যরা, বৃদ্ধাশ্রম, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য শেষকৃত্য পরিষেবা সংস্থাও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু কাউকেই আশার কোনও কথা শোনানো সম্ভব হয়নি।হারতেলির দাবি, এখন যদি কোনও গোরস্থানে ফোন করা হয়, তবে শেষকৃত্য করার জন্য ১০ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মৃত্যুর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন করার কাজে অনেক দেরি হচ্ছে। ফলে দেহ মর্গে জমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অতিরিক্ত মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রেলার ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছেন হারতেলি।

জামালদহ বাজারে প্রতিবাদ এবং ধিক্কার মিছিল করল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফ্রান্সের প্রবল গরমে মৃত্যুর মিছিল, গেরোস্থানে আর জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না

আপডেট : ২ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমে এক ভয়াবহ অবস্থা প্রায় সমস্ত ইউরোপ জুড়ে। তারমধ্যে খুবই খারাপ অবস্থা ফ্রান্স জার্মানির। ব্যাপক গরমে ভয়াবহ অবস্থা ইউরোপের। চলতি বছরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই হতেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হিটওয়েভের জেরে ফ্রান্স-সহ একাধিক দেশে চলছে মৃত্যুমিছিল। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, শেষকৃত্য করার জন্য যানজট লেগে গিয়েছে। কবরস্থানে আন্তেষ্টিক্রিয়ার তারিখ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকী মর্গেও দেহ রাখার কোনও জায়গা ফাঁকা নেই। ফ্রান্সের পাবলিক হেলথ এজেন্সি সম্প্রতি জানিয়েছে, শেষ বুধবার থেকে রবিবারের মধ্যে অর্থাৎ ৫ দিনে মৃতের সংখ্যা ১০০০ পেরিয়েছে। আর এই সংখ্যা ক্রমে ক্রমেই বাড়ছে।প্যারিসের কাছে অরলি এলাকার একটি শেষকৃত্য পরিষেবা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা জুহায়ের হারতেলি জানিয়েছেন, তাঁদের কোল্ড স্টোরেজে ৩২টি মৃতদেহ রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু এখন সব কটি জায়গাই ভরে গিয়েছে।

প্রতিটি ড্রয়ারে মৃতের নাম, মরদেহ আসার তারিখ এবং সংরক্ষণের তাপমাত্রা উল্লেখ করা রয়েছে। তিনি জানান, এই সপ্তাহান্তে মরদেহ নেওয়ার জন্য কম করে ১৫০টি ফোন পেয়েছিলেন। কিন্তু অবস্থা এমন যে, একটি দেহও নিতে পারেননি। কারণে মর্গে দেহ রাখার আর জায়গাই নেই। হারতেলি জানান, মৃতদেহ রাখার জায়গার খোঁজেমৃতদের পরিবারের সদস্যরা, বৃদ্ধাশ্রম, পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং অন্যান্য শেষকৃত্য পরিষেবা সংস্থাও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু কাউকেই আশার কোনও কথা শোনানো সম্ভব হয়নি।হারতেলির দাবি, এখন যদি কোনও গোরস্থানে ফোন করা হয়, তবে শেষকৃত্য করার জন্য ১০ জুলাই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, মৃত্যুর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন করার কাজে অনেক দেরি হচ্ছে। ফলে দেহ মর্গে জমে যাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অতিরিক্ত মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য একটি রেফ্রিজারেটেড ট্রেলার ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছেন হারতেলি।