০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

সেনেগালকে হারিয়ে শেষ ১৬তে বেলজিয়াম

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই আবেগ ও উত্তেজনা। প্রতি মুহূর্তে নতুন ইতিহাস তৈরী। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক রূপকথার জন্ম দিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজেদের টিকিয়ে রাখল বেলজিয়াম। বুধবার সেনেগালের বিরুদ্ধে এক সময় ০-২ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্যভাবে ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে শেষ ১৬-র টিকিট পাকা করল তারা। এবারের বিশ্বকাপের এখনও পর্যন্ত সেরা ম্যাচ বললেও হয়তো এই রোমাঞ্চকর লড়াইকে কম বলা হবে। ম্যাচের শুরু থেকেই আফ্রিকান জায়ান্ট সেনেগালের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে হাবিব দিয়ারা এবং দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইসমাইলা সারের দুর্দান্ত গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সেনেগাল। বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে কার্যত দিশেহারা করে দিয়ে ২০০২ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ‘টেরাঙ্গার সিংহ’রা।

যখন মনে হচ্ছিল কেভিন ডি ব্রুইন, থিবো কোর্তোয়াদের মতো বেলজিয়ামের ‘স্বর্ণালী প্রজন্ম’-এর বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে, তখনই শুরু হয় রেড ডেভিলসদের মহাকাব্যিক লড়াই। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা তারকা স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু গোল করে দলের ব্যবধান কমান এবং ম্যাচে প্রাণ ফিরিয়ে আনেন। ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ ৮৯তম মিনিটে সেনেগালের গোলরক্ষকের মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে ফাঁকা পোস্টে হেড করে বেলজিয়ামকে ২-২ সমতায় ফেরান অ্যাস্টন ভিলার মিডফিল্ডার ইউরি টিলেমানস। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা সমতায় শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে, যেখানে দুই দলের ফুটবলাররাই স্নায়ুর চূড়ান্ত পরীক্ষা দেন। ম্যাচ যখন পেনাল্টি শুটআউটের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ১২৫তম মিনিটে নাটকীয় মোড় নেয় খেলা। ডি-বক্সের ভেতর ফাউলের কারণে ভিএআর রিভিউ দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে বেলজিয়ামের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন সেই টিলেমানস, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে দেরিতে হওয়া গোল।

জামালদহ বাজারে প্রতিবাদ এবং ধিক্কার মিছিল করল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সেনেগালকে হারিয়ে শেষ ১৬তে বেলজিয়াম

আপডেট : ৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই আবেগ ও উত্তেজনা। প্রতি মুহূর্তে নতুন ইতিহাস তৈরী। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক রূপকথার জন্ম দিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজেদের টিকিয়ে রাখল বেলজিয়াম। বুধবার সেনেগালের বিরুদ্ধে এক সময় ০-২ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্যভাবে ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে শেষ ১৬-র টিকিট পাকা করল তারা। এবারের বিশ্বকাপের এখনও পর্যন্ত সেরা ম্যাচ বললেও হয়তো এই রোমাঞ্চকর লড়াইকে কম বলা হবে। ম্যাচের শুরু থেকেই আফ্রিকান জায়ান্ট সেনেগালের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে হাবিব দিয়ারা এবং দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইসমাইলা সারের দুর্দান্ত গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সেনেগাল। বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে কার্যত দিশেহারা করে দিয়ে ২০০২ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ‘টেরাঙ্গার সিংহ’রা।

যখন মনে হচ্ছিল কেভিন ডি ব্রুইন, থিবো কোর্তোয়াদের মতো বেলজিয়ামের ‘স্বর্ণালী প্রজন্ম’-এর বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে, তখনই শুরু হয় রেড ডেভিলসদের মহাকাব্যিক লড়াই। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে নামা তারকা স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু গোল করে দলের ব্যবধান কমান এবং ম্যাচে প্রাণ ফিরিয়ে আনেন। ঠিক তিন মিনিট পর, অর্থাৎ ৮৯তম মিনিটে সেনেগালের গোলরক্ষকের মারাত্মক ভুলের সুযোগ নিয়ে ফাঁকা পোস্টে হেড করে বেলজিয়ামকে ২-২ সমতায় ফেরান অ্যাস্টন ভিলার মিডফিল্ডার ইউরি টিলেমানস। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা সমতায় শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে, যেখানে দুই দলের ফুটবলাররাই স্নায়ুর চূড়ান্ত পরীক্ষা দেন। ম্যাচ যখন পেনাল্টি শুটআউটের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ১২৫তম মিনিটে নাটকীয় মোড় নেয় খেলা। ডি-বক্সের ভেতর ফাউলের কারণে ভিএআর রিভিউ দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে বেলজিয়ামের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন সেই টিলেমানস, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে দেরিতে হওয়া গোল।