০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
০৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩

গ্রেফতার দেবরাজ, উদ্বিগ্ন অদিতি মুন্সী

নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন দেবরাজ। যদিও তাঁর আর্জি খারিজ হয়ে যায়। তারপরই গ্রেপ্তার হন দেবরাজ। বঙ্গ রাজনীতিতে বরাবরই বেশ চর্চিত নাম দেবরাজ চক্রবর্তী এবং অদিতি মুন্সি। উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা দেবরাজ চক্রবর্তী।যুব তৃণমূল কর্মী হিসেই তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের সূচনা। ২০১৩ সালে পুরসভার উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন দেবরাজ। কিন্তু তৃণমূল তাঁকে টিকিট দেয়নি। ২০১৫-তেও মেলেনি টিকিট। তারপর কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। বিধাননগর পুরনিগম এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের টিকিটে লড়েন তিনি। জিতেওছিলেন।

পরবর্তীতে ফিরে যান তৃণমূলে। বিয়ের পর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে রাজনীতিতে নিয়ে আসেন রাজনীতিতে। ২০২১ সালে রাজারহাট-গোপালপুর আসনে বিধায়ক হন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সি এবং তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, ভোটের আগে অদিতি ও দেবরাজ অন্তত ১০০ কোটি টাকা সম্পত্তি বেনামে ও আত্মীয়স্বজন, পরিচিতদের মধ্যে হস্তান্তরিত করেছেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচনী হলফনামায় তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সির সম্পত্তির পরিমাণ কম দেখানো হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট চালানো, জমি দখলের মতো অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অদিতি এবং দেবরাজ।

জামালদহ বাজারে প্রতিবাদ এবং ধিক্কার মিছিল করল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

গ্রেফতার দেবরাজ, উদ্বিগ্ন অদিতি মুন্সী

আপডেট : ৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন দেবরাজ। যদিও তাঁর আর্জি খারিজ হয়ে যায়। তারপরই গ্রেপ্তার হন দেবরাজ। বঙ্গ রাজনীতিতে বরাবরই বেশ চর্চিত নাম দেবরাজ চক্রবর্তী এবং অদিতি মুন্সি। উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাট-গোপালপুর বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা দেবরাজ চক্রবর্তী।যুব তৃণমূল কর্মী হিসেই তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের সূচনা। ২০১৩ সালে পুরসভার উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন দেবরাজ। কিন্তু তৃণমূল তাঁকে টিকিট দেয়নি। ২০১৫-তেও মেলেনি টিকিট। তারপর কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। বিধাননগর পুরনিগম এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের টিকিটে লড়েন তিনি। জিতেওছিলেন।

পরবর্তীতে ফিরে যান তৃণমূলে। বিয়ের পর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে রাজনীতিতে নিয়ে আসেন রাজনীতিতে। ২০২১ সালে রাজারহাট-গোপালপুর আসনে বিধায়ক হন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সি এবং তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ওঠে, ভোটের আগে অদিতি ও দেবরাজ অন্তত ১০০ কোটি টাকা সম্পত্তি বেনামে ও আত্মীয়স্বজন, পরিচিতদের মধ্যে হস্তান্তরিত করেছেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচনী হলফনামায় তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সির সম্পত্তির পরিমাণ কম দেখানো হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট চালানো, জমি দখলের মতো অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অদিতি এবং দেবরাজ।