২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
২৭ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

ট্রলারে নদীভাঙন পরিদর্শনে জেলাশাসক, মন্ত্রী ও পুলিশ সুপার

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
  • 101
সফিকুল আলম, নতুন গতি, মালদা: জেলার বন্যা ও নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার রতুয়া-১, মানিকচক ও ভূতনি দিয়ারা এলাকায় পরিদর্শনে গেলেন জেলাশাসক রজনবীর সিং কাপুর, সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জয়েল মুর্মু এবং পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (স্বাস্থ্য) অনিরুদ্ধ নন্দী-সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকেরা।
নদীর পরিস্থিতি কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে ট্রলারে চেপে জলপথে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা। গঙ্গার জলস্তর, ভাঙনপ্রবণ এলাকা এবং বাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সমস্যা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পর্কে আধিকারিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, রান্না করা খাবার, পানীয় জল ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেডিক্যাল ক্যাম্প, জেনারেটর, অস্থায়ী আলোর ব্যবস্থা, নৌকা ও সিভিল ডিফেন্স কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
রতুয়া-১ ও মানিকচকের বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন রুখতে বালির বস্তা ফেলা, পরকুপাইন স্ট্রাকচার বসানো এবং বাঁধ মজবুত করার কাজ চলছে। কেশরপুরে ভূতনি রিং বাঁধের ক্ষয় এবং গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধির পরিস্থিতিও পরিদর্শন করেন তাঁরা।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি এবং প্রয়োজনে দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ট্রলারে নদীভাঙন পরিদর্শনে জেলাশাসক, মন্ত্রী ও পুলিশ সুপার

আপডেট : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
সফিকুল আলম, নতুন গতি, মালদা: জেলার বন্যা ও নদীভাঙন পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার রতুয়া-১, মানিকচক ও ভূতনি দিয়ারা এলাকায় পরিদর্শনে গেলেন জেলাশাসক রজনবীর সিং কাপুর, সেচ দফতরের প্রতিমন্ত্রী জয়েল মুর্মু এবং পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (স্বাস্থ্য) অনিরুদ্ধ নন্দী-সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকেরা।
নদীর পরিস্থিতি কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে ট্রলারে চেপে জলপথে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তাঁরা। গঙ্গার জলস্তর, ভাঙনপ্রবণ এলাকা এবং বাঁধের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সমস্যা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পর্কে আধিকারিকদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, রান্না করা খাবার, পানীয় জল ও স্যানিটেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মেডিক্যাল ক্যাম্প, জেনারেটর, অস্থায়ী আলোর ব্যবস্থা, নৌকা ও সিভিল ডিফেন্স কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
রতুয়া-১ ও মানিকচকের বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন রুখতে বালির বস্তা ফেলা, পরকুপাইন স্ট্রাকচার বসানো এবং বাঁধ মজবুত করার কাজ চলছে। কেশরপুরে ভূতনি রিং বাঁধের ক্ষয় এবং গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধির পরিস্থিতিও পরিদর্শন করেন তাঁরা।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৪ ঘণ্টা নজরদারি এবং প্রয়োজনে দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।