১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১১ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই কলকাতা যাত্রা বিনয় তামাং এবং রোশন গিরির

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২০ জানুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার
  • 7

কলকাতা: কলকাতাতে গেলেন বিনয় তামাং এবং রোশন গিরি।মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই কলকাতা যাত্রা তাদের।এই পুরসভা নির্বাচনের আগে নবানন থেকে ডাক আসায় তারা দু একদিনের মধ্যেই কলকাতা যাবেন বলে খবরে জানা গেছে।অভিষেকের দলের নির্দেশেই তাদের কলকাতা যাত্রা বলে খবর পাওয়া গেছে।তাদের কি কারনে কলকাতাতে ডেকে পাঠানো হয়েছে এটা ঠিক জানা না গেলেও তারা যাতে আবার একটা আলাদা দল তৈরী না করেন খুব সম্ভবত সেই নির্দেশই দেওয়া হবে নবানন থেকে।তাছারা তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে যে তারা আগামীতে শিলিগুড়িতে কোন শর্ত ছাড়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করেন।

তৃনমুল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এও জানানো হয়েছে পাহাড়ের তিন নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হবে যে তারা যেন শিলিগুড়িতে নেপালি অধ্যুসিত এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করেন।জানা গেছে পাহাড়ের এই তিন নেতাই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রসতাবে রাজী হয়ে যান।অন্যদিকে খবর পাওয়া গেছে বিমল গুরুঙ্গও প্রায় বিনা শর্তে আগামীদিনে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন।আপাতত তিনি এই বারে কলকাতায় না গেলে আগামীদিনে তিনি মুখ্যমন্ত্রী অভিষেক এবং তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে দেখা করে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবেন বলে জানা গেছে।তবে জানা গেছে কলকাতা থেকে ফিরে পাহাড়ের এই তিন নেতা শিলিগুড়ির যে যে এলাকার নেপালি মানুষ বেশী বসবাস করেন সেখানে গিয়ে প্রচার করবেন।

এই বিষয়ে আরো খবর পাওয়া গেছে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় নিজেই পাহাড়ের এই তিন নেতার ব্যাপারে আলাদাভাবে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন।

এবার আরো ধাক্কা তৃণমূলে, পদত্যাগ রাজ্যসভার সদস্য সুস্মিতা দেবের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই কলকাতা যাত্রা বিনয় তামাং এবং রোশন গিরির

আপডেট : ২০ জানুয়ারী ২০২২, বৃহস্পতিবার

কলকাতা: কলকাতাতে গেলেন বিনয় তামাং এবং রোশন গিরি।মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই কলকাতা যাত্রা তাদের।এই পুরসভা নির্বাচনের আগে নবানন থেকে ডাক আসায় তারা দু একদিনের মধ্যেই কলকাতা যাবেন বলে খবরে জানা গেছে।অভিষেকের দলের নির্দেশেই তাদের কলকাতা যাত্রা বলে খবর পাওয়া গেছে।তাদের কি কারনে কলকাতাতে ডেকে পাঠানো হয়েছে এটা ঠিক জানা না গেলেও তারা যাতে আবার একটা আলাদা দল তৈরী না করেন খুব সম্ভবত সেই নির্দেশই দেওয়া হবে নবানন থেকে।তাছারা তাদের নির্দেশ দেওয়া হবে যে তারা আগামীতে শিলিগুড়িতে কোন শর্ত ছাড়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করেন।

তৃনমুল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এও জানানো হয়েছে পাহাড়ের তিন নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হবে যে তারা যেন শিলিগুড়িতে নেপালি অধ্যুসিত এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করেন।জানা গেছে পাহাড়ের এই তিন নেতাই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের প্রসতাবে রাজী হয়ে যান।অন্যদিকে খবর পাওয়া গেছে বিমল গুরুঙ্গও প্রায় বিনা শর্তে আগামীদিনে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন বলে জানিয়েছেন।আপাতত তিনি এই বারে কলকাতায় না গেলে আগামীদিনে তিনি মুখ্যমন্ত্রী অভিষেক এবং তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে দেখা করে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবেন বলে জানা গেছে।তবে জানা গেছে কলকাতা থেকে ফিরে পাহাড়ের এই তিন নেতা শিলিগুড়ির যে যে এলাকার নেপালি মানুষ বেশী বসবাস করেন সেখানে গিয়ে প্রচার করবেন।

এই বিষয়ে আরো খবর পাওয়া গেছে অভিষেক বন্দোপাধ্যায় নিজেই পাহাড়ের এই তিন নেতার ব্যাপারে আলাদাভাবে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন।