১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১০ জুন ২০২৬, বুধবার, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাজ্য অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর বিভিন্ন পুজো কমিটির সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে চলেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্য অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর বিভিন্ন পুজো কমিটির সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে চলেছে।

দমকল মন্ত্রী এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমায় একটি দমকল কেন্দ্রের উদ্বোধনে গিয়ে তিনি এই ঘোষণা করেন। এই দমকল কেন্দ্রটি তৈরী করতে খরচ হয়েছে ৩.৬৬ কোটি টাকা।

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে এই কর্মশালা চালাবে অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর। এই প্রশিক্ষণে তাঁদের শেখানো হবে কি কি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে অগ্নিকান্ড আটকাতে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পুজোর আয়োজকরা আগুন লাগলে কি করা উচিৎ, সে ব্যাপারে অবগত নন। অনেক প্যান্ডেলে বালি রাখা থাকলেও সেটা কিভাবে ব্যবহার করতে হবে, সেই বিষয়ে অনেকে পারদর্শী নন।

যদি পুজোর আয়োজকরা এবং স্থানীয় ক্লাবের সদস্যেরা অগ্নিনির্বাপণের বিষয়ে প্রশিক্ষিত হন, অনেক দুর্ঘটনা বড় আকার নেওয়ার আগে তা প্রতিরোধ করা যাবে।

দমকল দপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, রাজ্যের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে ফায়ার লাইসেন্সও পাওয়া যাচ্ছে খুব অল্প সময়ে।

আর ডিম নয়, এবার সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গোবর ও পচা টমেটো

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্য অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর বিভিন্ন পুজো কমিটির সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে চলেছে

আপডেট : ২৩ অগাস্ট ২০১৯, শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিনিধি : রাজ্য অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর বিভিন্ন পুজো কমিটির সদস্যদের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে চলেছে।

দমকল মন্ত্রী এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমায় একটি দমকল কেন্দ্রের উদ্বোধনে গিয়ে তিনি এই ঘোষণা করেন। এই দমকল কেন্দ্রটি তৈরী করতে খরচ হয়েছে ৩.৬৬ কোটি টাকা।

এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন পুজো কমিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে এই কর্মশালা চালাবে অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা দপ্তর। এই প্রশিক্ষণে তাঁদের শেখানো হবে কি কি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে অগ্নিকান্ড আটকাতে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় পুজোর আয়োজকরা আগুন লাগলে কি করা উচিৎ, সে ব্যাপারে অবগত নন। অনেক প্যান্ডেলে বালি রাখা থাকলেও সেটা কিভাবে ব্যবহার করতে হবে, সেই বিষয়ে অনেকে পারদর্শী নন।

যদি পুজোর আয়োজকরা এবং স্থানীয় ক্লাবের সদস্যেরা অগ্নিনির্বাপণের বিষয়ে প্রশিক্ষিত হন, অনেক দুর্ঘটনা বড় আকার নেওয়ার আগে তা প্রতিরোধ করা যাবে।

দমকল দপ্তরের ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, রাজ্যের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে ফায়ার লাইসেন্সও পাওয়া যাচ্ছে খুব অল্প সময়ে।