১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

মরক্কোকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স

নিউজ ডেস্ক: মরক্কোকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল ফ্রান্স। তবে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কে তা নির্ধারিত হবে স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচের ফলাফলের ওপর।

কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে মুখোমুখি হয় ফ্রান্স ও মরক্কো। ২-০ গোলে জিতল দিদিয়ে দেশোঁর দল। গোল দুটি করেন এমবাপে ও উসমান দেম্বেলে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে একই ব্যবধানে জিতেছিল ফরাসিরা।

ম্যাচে কখনোই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি মরক্কো। পুরো ম্যাচে গোলের জন্য পাঁচটি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে। আর ফ্রান্সের ২২ শটের আটটি ছিল লক্ষ্যে।

২৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো ফ্রান্স। এমবাপেকে ডিফেন্ডার নুসায়ের মাজরাউই ফাউল করলে পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু এমবাপের দুর্বল শট ঝাঁপিয়ে আটকান মরক্কো গোলরক্ষক বোনু।

একচেটিয়া চাপ সৃষ্টি করে, অনেক সুযোগ তৈরি করেও প্রথমার্ধে সাফল্য পায়নি ফ্রান্স। প্রথমার্ধে একদম কোণঠাসা মরক্কো বিরতির পর আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করলেও বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুবার জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ফ্রান্স।

৬০মিনিটে সামনে ইসা জিওপের বাধায় ডি-বক্সের মুখে এক মুহূর্ত থামলেন এমবাপে, তারপর জাল খুঁজে নেন এমবাপে। এই আসরে টানা তৃতীয় এবং ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে জালের দেখা পেলেন এমবাপে। আট গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট নিয়ে চলে এলেন গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তালিকার শীর্ষে। সমান আটটি গোল করে দুইয়ে লিওনেল মেসি।

এরপর, ৬৬ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দেম্বেলে। তাকে বল বাড়িয়ে ডান পাশ দিয়ে ক্ষিপ্রতায় ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন এমবাপে, দুই ডিফেন্ডারও সেদিকে মনোযোগ দেয় আর সেই মুহূর্তে খানিকটা ডান পাশে সরে জোরাল শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পিএসজি এই ফরোয়ার্ড।

২০১৮ ও ২০২২ আসরে একবারও জালের দেখা না পাওয়া দেম্বেলে এবার ছয় ম্যাচে একটি হ্যাটট্রিকসহ করলেন পাঁচ গোল। জাতীয় দলের হয়ে তার মোট গোল হলো ১২টি।

দ্বিতীয় গোলের পর পড়ে গিয়ে পায়ে ব্যথা পান এমবাপে। ম্যাচের ফল নিয়েও অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ায় কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে তাকে তুলে নেন কোচ দেশম। দলের সেরা তারকার অনুপস্থিতিতে বাকি সময়ে একটুও সমস্যায় পড়তে হয়নি গতবারের রানার্সআপদের। মাঠ নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রেখে সহজ জয়ে কোয়াটার ফাইনালে পৌঁছে যায় তারা।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মরক্কোকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার

নিউজ ডেস্ক: মরক্কোকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল ফ্রান্স। তবে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ কে তা নির্ধারিত হবে স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচের ফলাফলের ওপর।

কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে মুখোমুখি হয় ফ্রান্স ও মরক্কো। ২-০ গোলে জিতল দিদিয়ে দেশোঁর দল। গোল দুটি করেন এমবাপে ও উসমান দেম্বেলে। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে একই ব্যবধানে জিতেছিল ফরাসিরা।

ম্যাচে কখনোই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি মরক্কো। পুরো ম্যাচে গোলের জন্য পাঁচটি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে। আর ফ্রান্সের ২২ শটের আটটি ছিল লক্ষ্যে।

২৫ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো ফ্রান্স। এমবাপেকে ডিফেন্ডার নুসায়ের মাজরাউই ফাউল করলে পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু এমবাপের দুর্বল শট ঝাঁপিয়ে আটকান মরক্কো গোলরক্ষক বোনু।

একচেটিয়া চাপ সৃষ্টি করে, অনেক সুযোগ তৈরি করেও প্রথমার্ধে সাফল্য পায়নি ফ্রান্স। প্রথমার্ধে একদম কোণঠাসা মরক্কো বিরতির পর আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করলেও বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুবার জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ফ্রান্স।

৬০মিনিটে সামনে ইসা জিওপের বাধায় ডি-বক্সের মুখে এক মুহূর্ত থামলেন এমবাপে, তারপর জাল খুঁজে নেন এমবাপে। এই আসরে টানা তৃতীয় এবং ছয় ম্যাচের পাঁচটিতে জালের দেখা পেলেন এমবাপে। আট গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট নিয়ে চলে এলেন গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তালিকার শীর্ষে। সমান আটটি গোল করে দুইয়ে লিওনেল মেসি।

এরপর, ৬৬ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দেম্বেলে। তাকে বল বাড়িয়ে ডান পাশ দিয়ে ক্ষিপ্রতায় ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন এমবাপে, দুই ডিফেন্ডারও সেদিকে মনোযোগ দেয় আর সেই মুহূর্তে খানিকটা ডান পাশে সরে জোরাল শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পিএসজি এই ফরোয়ার্ড।

২০১৮ ও ২০২২ আসরে একবারও জালের দেখা না পাওয়া দেম্বেলে এবার ছয় ম্যাচে একটি হ্যাটট্রিকসহ করলেন পাঁচ গোল। জাতীয় দলের হয়ে তার মোট গোল হলো ১২টি।

দ্বিতীয় গোলের পর পড়ে গিয়ে পায়ে ব্যথা পান এমবাপে। ম্যাচের ফল নিয়েও অনিশ্চয়তা কেটে যাওয়ায় কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে তাকে তুলে নেন কোচ দেশম। দলের সেরা তারকার অনুপস্থিতিতে বাকি সময়ে একটুও সমস্যায় পড়তে হয়নি গতবারের রানার্সআপদের। মাঠ নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রেখে সহজ জয়ে কোয়াটার ফাইনালে পৌঁছে যায় তারা।