কলকাতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হয়তো হেরেছেন। কিন্তু তাঁর জনসমর্থন যে কমেনি, তা বুধবার কর্মীসভায় স্পষ্ট বোঝা গেলো। ২ মাস আগেও যে দল শাসন ক্ষমতায় ছিল, পাড়ায় পাড়ায় যাদের দাপট চলত, তারা আজ কেউ জেলে, কেউ অন্য শিবিরে আশ্রয় নিচ্ছেন। বুধবার বিকেলে নজর কাড়ল সেই তৃণমূলের কর্মিসভা। ঋতব্রত-শিবির নয়, মমতাপন্থী তৃণমূলের কর্মিসভায় উপচে পড়া ভিড়। বুধবার দক্ষিণ কলকাতার তৃণমূলের কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছে। নেতৃত্বে রয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত না থাকলেও তৃণমূলের কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ কিছু কম ছিল না। ‘আসল তৃণমূল’ নিয়ে যখন টানাপোড়েন তুঙ্গে, তখন এই ছবি যে কালীঘাট-শিবিরে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
মহারাষ্ট্র নিবাস হলে কর্মিসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দক্ষিণ কলকাতার প্রচুর কর্মীর উপস্থিতি দেখা যায়। কর্মীরা এদিন ঋতব্রত শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিন। এক কর্মী এই ভিড় সম্পর্কে বলেন, “এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। ভিড় দেখবেন আগামিদিনে। যারা ডিম ছুড়ছে, তাদের কী অবস্থা হবে বুঝতে পারবেন। ওই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিপিএম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এবার মানুষ বহিষ্কার করে বঙ্গোপসাগরের জলে ফেলবে।” আর এক কর্মী বলেন, “দেখা যাক কে হয় আসল তৃণমূল। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় মাটির নেত্রী। তাঁর জন্য কোনও ঋতব্রতর সার্টিফিকেটের দরকার নেই। শুধু মমতার বন্দ্যোপাধ্যায় নামটা লাগবে আর ছবিটা লাগবে, কোনও প্রতীক লাগবে না। ছবিটাই এনাফ… এনাফ…এনাফ।”
নতুন গতি 





















