০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

“বহিষ্কার হয় না তৃণমূল কংগ্রেস থেকে” ঋতব্রতকে বহিষ্কার নিয়ে অবস্থান সুজনের

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম “টক অফ দা টাউন’ বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জাল কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে ঘাসফুল শিবির। তবে তিনি একা নন, এই ঘটনায় এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকেও বহিষ্কার করা হয়েছে দলের তরফ থেকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলের অন্দরে।

এই আবহে এই পর্ব প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বামেরা। এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “বহিষ্কার শব্দটার কোনও যোগ নেই তৃণমূল কংগ্রেসের। অর্থ নেই। যেমন গরুর গাড়ির হেডলাইট হয় না, তেমনি বহিষ্কার হয় না তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। কে বহিষ্কার হচ্ছে, আর কখন কে আসছে, ও খায় না মাথায় দেয়, কেউ জানে না এটা।”

নিজের বক্তব্যে সুজন চক্রবর্তী তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাদের খোঁচা দেন। তিনি বলেন, “আর কাকে বহিষ্কার করবে। বৈঠকে ২০ জন আসেন ৮০ জনের মধ্যে। এমনিতেই যাঁরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁরা নিজেরাই বহিষ্কার করে বসে আছেন নিজেদের।” তাঁর সাফ কথা, “আর একটা কথাই বলতে চাই, কখনও আপোস করে না সিপিএম নৈতিকতার প্রশ্নে।”

প্রসঙ্গত, এদিন ঋতব্রতকে নাম না করে নিশানা করতে গিয়ে বামেদের প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কালীঘাট থেকে ফেসবুক লাইভ করে তৃণমূল নেত্রী এই ব্যাপারে বলেন, “সিপিএম করতো। আমাদের ভুল হয়েছে তাকে টিকিট দেওয়া। পায়ে পড়েছিল এসে। সেদিন সিপিএম ঠিক করেছিল। আমি এই একটি ক্ষেত্রে তাদের প্রশংসা করি। তারপরও আমরা তাকে দুবার সাংসদ করেছি। হাওড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে টিকিট কেটে অন্য লোকের। যে বিশ্বাসঘাতকতা এরা করেছে, সেজন্য ক্ষমা করিনি।”

“বহিষ্কার হয় না তৃণমূল কংগ্রেস থেকে” ঋতব্রতকে বহিষ্কার নিয়ে অবস্থান সুজনের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“বহিষ্কার হয় না তৃণমূল কংগ্রেস থেকে” ঋতব্রতকে বহিষ্কার নিয়ে অবস্থান সুজনের

আপডেট : ২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম “টক অফ দা টাউন’ বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জাল কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে ঘাসফুল শিবির। তবে তিনি একা নন, এই ঘটনায় এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকেও বহিষ্কার করা হয়েছে দলের তরফ থেকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পারদ চড়ছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলের অন্দরে।

এই আবহে এই পর্ব প্রসঙ্গে মুখ খুললেন বামেরা। এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান বাম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, “বহিষ্কার শব্দটার কোনও যোগ নেই তৃণমূল কংগ্রেসের। অর্থ নেই। যেমন গরুর গাড়ির হেডলাইট হয় না, তেমনি বহিষ্কার হয় না তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। কে বহিষ্কার হচ্ছে, আর কখন কে আসছে, ও খায় না মাথায় দেয়, কেউ জানে না এটা।”

নিজের বক্তব্যে সুজন চক্রবর্তী তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাদের খোঁচা দেন। তিনি বলেন, “আর কাকে বহিষ্কার করবে। বৈঠকে ২০ জন আসেন ৮০ জনের মধ্যে। এমনিতেই যাঁরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁরা নিজেরাই বহিষ্কার করে বসে আছেন নিজেদের।” তাঁর সাফ কথা, “আর একটা কথাই বলতে চাই, কখনও আপোস করে না সিপিএম নৈতিকতার প্রশ্নে।”

প্রসঙ্গত, এদিন ঋতব্রতকে নাম না করে নিশানা করতে গিয়ে বামেদের প্রশংসা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কালীঘাট থেকে ফেসবুক লাইভ করে তৃণমূল নেত্রী এই ব্যাপারে বলেন, “সিপিএম করতো। আমাদের ভুল হয়েছে তাকে টিকিট দেওয়া। পায়ে পড়েছিল এসে। সেদিন সিপিএম ঠিক করেছিল। আমি এই একটি ক্ষেত্রে তাদের প্রশংসা করি। তারপরও আমরা তাকে দুবার সাংসদ করেছি। হাওড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে টিকিট কেটে অন্য লোকের। যে বিশ্বাসঘাতকতা এরা করেছে, সেজন্য ক্ষমা করিনি।”