২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
২৮ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

কল্যাণের নাটক দেখে বিরক্ত দিলীপ

আনজুম মুনির, কলকাতা: তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। পুরো ঘটনাকেই ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা। এদিন সকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, “সবাই দেখেছে কেউ ওকে ধাক্কা দেয়নি বা কেউ তাঁর উপর হামলাও করেনি। আমরা এরকম নাটক হাউসের ভিতরেও দেখেছি। আর এখানে সর্বত্রই দেখতে পাচ্ছি। এরকম মানুষকে কেউ সিরিয়াসলি নেয়না।” একইসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রীর সংযোজন, “তিনি একজন সিনিয়র নেতা এবং উকিল। কিন্তু সবসময়ই তাঁর ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ শোনা যায়। সাধারণ মানুষের ওনার উপর রাগ রয়েছে। তাঁর নিজেরও এই বিষয়ে সতর্ক থেকে বাইরে বের হওয়া উচিত না। এই ধরনের নাটক তাঁর শোভা পায় না।”

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে রবিবার চণ্ডীতলায় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন কল্যাণ। তিনি কয়েকজন দলীয় কর্মী-সমর্খকদের নিয়ে চণ্ডীতলা থানায় যাচ্ছিলেন ডেপুটেশন দিয়ে। তবে রাস্তায় তাঁকে ঘিরে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন অনেকে। তার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গণ্ডগোলের মধ্যেই হঠাৎ মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন শ্রীরামপুরের সাংসদ। মাথায় ভেজা রুমাল চেপে তিনি অভিযোগ করেন, চণ্ডীতলা থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছে।

ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানাতে যাওয়া মানুষদের উপর হামলা চালানো হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। আমাদের প্রায় সব নেতা-কর্মীদের উপর এভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। অখচ তারা কোনও ভূমিকা পালন করেননি।”

বীরভূমে কাজল শেখকে ডিম নিক্ষেপ, শহীদ দিবসের অনুষ্ঠানে উত্তেজনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কল্যাণের নাটক দেখে বিরক্ত দিলীপ

আপডেট : ১ জুন ২০২৬, সোমবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। পুরো ঘটনাকেই ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা। এদিন সকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ বলেন, “সবাই দেখেছে কেউ ওকে ধাক্কা দেয়নি বা কেউ তাঁর উপর হামলাও করেনি। আমরা এরকম নাটক হাউসের ভিতরেও দেখেছি। আর এখানে সর্বত্রই দেখতে পাচ্ছি। এরকম মানুষকে কেউ সিরিয়াসলি নেয়না।” একইসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রীর সংযোজন, “তিনি একজন সিনিয়র নেতা এবং উকিল। কিন্তু সবসময়ই তাঁর ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ শোনা যায়। সাধারণ মানুষের ওনার উপর রাগ রয়েছে। তাঁর নিজেরও এই বিষয়ে সতর্ক থেকে বাইরে বের হওয়া উচিত না। এই ধরনের নাটক তাঁর শোভা পায় না।”

সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে রবিবার চণ্ডীতলায় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন কল্যাণ। তিনি কয়েকজন দলীয় কর্মী-সমর্খকদের নিয়ে চণ্ডীতলা থানায় যাচ্ছিলেন ডেপুটেশন দিয়ে। তবে রাস্তায় তাঁকে ঘিরে চোর চোর স্লোগান দিতে শুরু করেন অনেকে। তার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গণ্ডগোলের মধ্যেই হঠাৎ মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন শ্রীরামপুরের সাংসদ। মাথায় ভেজা রুমাল চেপে তিনি অভিযোগ করেন, চণ্ডীতলা থানায় ডেপুটেশন জমা দিতে যাওয়ার সময় তাঁর উপর হামলা চালানো হয়েছে।

ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানাতে যাওয়া মানুষদের উপর হামলা চালানো হয়েছে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা চালিয়েছে। আমাদের প্রায় সব নেতা-কর্মীদের উপর এভাবে হামলা চালানো হচ্ছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। অখচ তারা কোনও ভূমিকা পালন করেননি।”