দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ভোটের রেজাল্টের ২৬ দিন পরে রাজনৈতিক ময়দানে নেমেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই দিনই তাঁকে নানাভাবে নিগ্রহ করা হয়। এই নিয়েই ক্ষুব্ধ রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকের বাড়ি যেতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত TMCর সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। ঘটনা ঘিরে রাজ্যের রাজনীতি তো বটেই, সারা দেশজুড়ে শোরগোল পড়েছে। অখিলেশ যাদব থেকে শুরু করে, কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের মতো নেতারাও এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সরব হয়েছেন।
এবার ওই ইস্যুতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে বিঁধালেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের উপর হামলার পরেই পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ব্রায়েন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ডেরেক লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে কী হচ্ছে? দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসের লোকসভা নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত এক ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে বিজেপি সমর্থকদের একাংশ তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁর প্রাণসংশয় তৈরি হয়েছিল। পুলিশ কোথায় ছিল? ভোটগণনার দিন কেন তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল? এর জবাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিন।” ভোটগণনার দিনই অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন ডেরেক। এরপর আজ হামলার ঘটনা ঘটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে এই বিষয়ে জবাব চান তৃণমূল সাংসদ।
উল্লেখ্য, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, বিজেপির সমর্থকেরা তাঁর উদ্দেশে জুতো এবং ডিম ছুড়ে মারে। এমনকি তাঁকে ধাক্কাধাক্কি ও মারধরের চেষ্টাও করা হয়। বিক্ষোভকারীরা ‘চোর, চোর’ স্লোগানও দেন। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই বিক্ষোভ ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফর ভণ্ডুল করার জন্য বিজেপি পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ছক কষেছিল বলেই অভিযোগ ঘাসফুল শিবিরের।
নতুন গতি 




















