২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলায় এবার চালু হতে চলেছে ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: নির্বাচনী প্রচারে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বারবার বলেছিলেন, বিজেপি সরকার গড়লে বাংলায় চালু হবে ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হয়। যেখানে কেন্দ্রের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব তথা উন্নয়ন কমিশনার ড. রজনীশ উপস্থিত ছিলেন। আর সেই বৈঠকে ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’ চালু করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে খবর।

এই প্রকল্প বাংলাতে চালু হলে শিল্পী এবং কারিগরদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যে পালাবদলের পর নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে আগের তৃণমূল সরকারকে বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এই প্রকল্প রাজ্যে লাগু করতে দেয়নি। তিনি বলেন, ”যারা ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদন করে রেখেছিলেন, আগের সরকার এই আবেদন তাদের জেলা শাসকদের দিয়ে কেন্দ্রের এমএসএমই দপ্তরে পাঠাতে দেননি। আমরা দ্রুত সেই ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদনপত্রকে পাঠানোর ব্যবস্থা নিলাম।”

এহেন ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের প্রতিনিধির সঙ্গে মুখ্যসচিবের বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, নবান্নে হওয়া ওই বৈঠকে কীভাবে এই প্রকল্প দ্রুত বাংলায় চালু করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি নজরদারি কমিটি গঠন করেছে সরকার।

ফলতায় তৃণমূলের শেষ পেরেক বলেই অনেকে মনে করছেন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলায় এবার চালু হতে চলেছে ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’

আপডেট : ২৫ মে ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: নির্বাচনী প্রচারে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বারবার বলেছিলেন, বিজেপি সরকার গড়লে বাংলায় চালু হবে ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হয়। যেখানে কেন্দ্রের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পমন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব তথা উন্নয়ন কমিশনার ড. রজনীশ উপস্থিত ছিলেন। আর সেই বৈঠকে ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’ চালু করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে খবর।

এই প্রকল্প বাংলাতে চালু হলে শিল্পী এবং কারিগরদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজ্যে পালাবদলের পর নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে আগের তৃণমূল সরকারকে বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগে সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এই প্রকল্প রাজ্যে লাগু করতে দেয়নি। তিনি বলেন, ”যারা ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদন করে রেখেছিলেন, আগের সরকার এই আবেদন তাদের জেলা শাসকদের দিয়ে কেন্দ্রের এমএসএমই দপ্তরে পাঠাতে দেননি। আমরা দ্রুত সেই ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার আবেদনপত্রকে পাঠানোর ব্যবস্থা নিলাম।”

এহেন ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের প্রতিনিধির সঙ্গে মুখ্যসচিবের বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, নবান্নে হওয়া ওই বৈঠকে কীভাবে এই প্রকল্প দ্রুত বাংলায় চালু করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ইতিমধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি নজরদারি কমিটি গঠন করেছে সরকার।