আনজুম মুনির, হাওড়া: বর্তমানে স্কুলে স্কুলে চলছে গ্রীষ্মকালীন ছুটি। শিক্ষা দপ্তর থেকে প্রতিটি স্কুলেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ছাত্র-ছাত্রীদের সামার প্রজেক্ট করার জন্য।গ্রীষ্মকালীন ছুটি বৃদ্ধি করার ফলে প্রতি বছরের মতো এই বছরও উলুবেড়িয়া দক্ষিণ চক্রের সম্মানীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সুরাজ মন্ডল চক্রের অধীন পাঁচটি অঞ্চলের ৬১টি স্কুল ও স্কুল সন্নিহিত এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রস্তুত করা প্রজেক্টের কাজ পর্যবেক্ষণ করলেন এবং উপযুক্ত পরামর্শ প্রদান করে তাদের দক্ষতাকে আরও শ্রীবৃদ্ধি করার চেষ্টা করলেন।
ছুটিতে তাদের পড়াশোনার মান কি জায়গায় আছে, তা খতিয়ে দেখতে স্কুলে স্কুলে গিয়ে নিজে ক্লাসও নিচ্ছেন। সাথে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপযুক্ত পরামর্শ প্রদান করে শিক্ষার মানকে কিভাবে একটি নির্দিষ্টমানে উন্নীত করা যায়, তার জন্য যৌথভাবে সেই চেষ্টা করে চলেছেন। গ্রীষ্মকালীন ছুটি যেহেতু গ্রীষ্মের দাবদাহের কারণেই দেওয়া হয়, তাই এই প্রচন্ড দাবদাহ নিয়ন্ত্রণ করতে গাছ, খাল, পুকুর, জলাভূমির কতটা গুরুত্ব বোঝানোর জন্য তাপ মাপক যন্ত্র থার্মোমিটার দিয়ে গাছের নিচে,পুকুর পাড়ে,জলাভূমিতে এবং খোলা আকাশের নীচে তাপমাত্রার যে পার্থক্য, সেটা হাতে-কলমে শিশুদের দেখান। সুরাজ মন্ডল গ্রীষ্মের ছুটিতে শিশুদের নিয়ে এই সামগ্রিক কর্মসূচি দেখে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক বৃন্দ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ খুবই আপ্লুত ও অনুপ্রাণিত।

সুরাজ মন্ডল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে প্রতিটি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রতি বছর সামার প্রজেক্ট দেওয়া হয়ে থাকে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আমার চক্রের অধীন পাঁচটি অঞ্চলের কিছু স্যাম্পল স্কুল ভিজিট করে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দকে সাথে নিয়ে শিশুদের মান উন্নয়ন করতে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী সবিস্তারে আলোচনা করছি।শিশুদের ভবিষ্যত নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দের অংশগ্রহণ ও উৎসাহ দেখে আমি আপ্লুত।”
নতুন গতি 























