আনজুম মুনীর, কলকাতা: সমবায় দপ্তরের দুর্নীতি ছাড়াতে গিয়ে তাঁর প্রাণও যেতে পারে, এমন ধারণা সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়ার। তাঁর অভিযোগ, সমবায় দপ্তরে গত ১৫ বছরে প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে। কোথাও চাষিরা টাকা পাননি, কোথাও ব্যাঙ্কের ঋণ শোধ করা হয়নি। এরপর থেকে সমবায় গঠনের সময়ে কোনও জনপ্রতিনিধি তার মাথায় বসবেন না বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সমবায় বোর্ডের সদস্যরাই বোর্ডের সভাপতি, সহ-সভাপতি নির্বাচন করবেন।
সেই সঙ্গে মন্ত্রীর কটাক্ষ, “দুর্নীতির মস্ত বড় এক মৌচাকে সরাসরি ঢিল মেরেছি। যারা বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে কামাই করেছে, তারা আমায় ছেড়ে কথা বলবে না। ফলে এখন যে কোনও মুহূর্তে আমার প্রাণহানির আশঙ্কা তো থাকছেই!” সম্প্রতি মন্ত্রী হওয়ার পর নিজের বিধানসভা বনগাঁ উত্তরে এসেছিলেন রাজ্যের নবনিযুক্ত খাদ্য ও সমবায় মন্ত্রী। তৃণমূলের আমলে সমবায়ে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পাশাপাশি খাদ্য দপ্তরের দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন।
শুক্রবার কলকাতার নবমহাকরণে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের সমবায় ব্যাঙ্ক ও সমবায় দপ্তরগুলিতে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন অশোক কীর্তনিয়া। এরপরই নির্দেশ দেন, সমস্ত সমবায় ব্যাঙ্কে নিয়মিত অডিট করতে হবে। তাঁর আরও অভিযোগ, অতীতে সমবায় ব্যাঙ্কগুলি থেকে শুধুমাত্র টাকা লুটপাটই করা হয়নি, বরং ব্যাঙ্কের সম্পত্তি জলের দরে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, সমবায়কে আগের সরকার যে গুরুত্ব দেয়নি সে কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তাঁর কথায়, “গত ১৫ বছর সমবায় দপ্তরকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। আজ বিজেপির সরকার আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কৃষকদের উন্নতি কেমন করে হবে সেটা দেখব।”
নতুন গতি 

























