১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

খবরের জেরে বৃদ্ধা তসলিমা বেওয়ার পাশে দাঁড়ালেন থানার আইসি ও মর্জিনা খাতুন

সংবাদদাতা, নতুন গতি, মালদা: খবরের জেরে প্রশাসনিক মদদে তুলসিহাটা তে মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় পেল তসলিমা বেওয়া। তসলিমা বেওয়ার দুরবস্থার কথা জানতে পেরে নড়েচড়ে বসে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর প্রশাসন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস খবরে জানতে পেরে উনার পাশে দাঁড়ান। উনার মদদেই তুলসিহাটায় মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় পান তসলিমা বেওয়া। স্থানীয় ব্লক প্রশাসন থেকে তাকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়।

এদিন তসলিমা বেওয়ার বাড়িতে দেখা করতে যান জেলা পরিষদের শিশু ও নারী ও ত্রাণ কর্মাদক্ষ মর্জিনা খাতুন। তিনি তসলিমার হাতে খাদ্য বস্ত্র সহ কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে দেন। আগামীতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন।তিনি আরো জানান সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে তাকে সাহায্য করা হবে। প্রসঙ্গত গতকাল খবরে প্রকাশ হয় ছেলে-বৌমার অত্যাচারে বাড়িছাড়া হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন ধারণ করছিলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধা তসলিমা। একসঙ্গে অন্ধ ঠিক করে হাঁটতে পারে না। তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

খবরে প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন এটা শুনে কৃতজ্ঞতায়ঃ চোখে জল চলে এল তসলিমার |
তিনি জানালেন এভাবে সমাজ আমার পাশে দাঁড়িয়েছে এটা ভেবেই আমার ভালো লাগছে।

বোলপুরে রাজধানী সার্কাসের শুভ উদ্বোধন, প্রথম দিনেই দর্শকদের ভিড়

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খবরের জেরে বৃদ্ধা তসলিমা বেওয়ার পাশে দাঁড়ালেন থানার আইসি ও মর্জিনা খাতুন

আপডেট : ২৯ জুন ২০২০, সোমবার

সংবাদদাতা, নতুন গতি, মালদা: খবরের জেরে প্রশাসনিক মদদে তুলসিহাটা তে মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় পেল তসলিমা বেওয়া। তসলিমা বেওয়ার দুরবস্থার কথা জানতে পেরে নড়েচড়ে বসে মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর প্রশাসন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস খবরে জানতে পেরে উনার পাশে দাঁড়ান। উনার মদদেই তুলসিহাটায় মেয়ের বাড়িতে আশ্রয় পান তসলিমা বেওয়া। স্থানীয় ব্লক প্রশাসন থেকে তাকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়।

এদিন তসলিমা বেওয়ার বাড়িতে দেখা করতে যান জেলা পরিষদের শিশু ও নারী ও ত্রাণ কর্মাদক্ষ মর্জিনা খাতুন। তিনি তসলিমার হাতে খাদ্য বস্ত্র সহ কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে দেন। আগামীতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দেন।তিনি আরো জানান সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে তাকে সাহায্য করা হবে। প্রসঙ্গত গতকাল খবরে প্রকাশ হয় ছেলে-বৌমার অত্যাচারে বাড়িছাড়া হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন ধারণ করছিলেন ৮০ বছরের বৃদ্ধা তসলিমা। একসঙ্গে অন্ধ ঠিক করে হাঁটতে পারে না। তার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

খবরে প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন এটা শুনে কৃতজ্ঞতায়ঃ চোখে জল চলে এল তসলিমার |
তিনি জানালেন এভাবে সমাজ আমার পাশে দাঁড়িয়েছে এটা ভেবেই আমার ভালো লাগছে।