২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

পাহাড়ের ভারী বৃষ্টির জেরে জলস্তর বৃদ্ধি ডুয়ার্সের একাধিক নদীতে

ভাস্কর মহন্ত, নাগরাকাটা: আবারও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় প্রহর গুনছে নাগরাকাটা ব্লকের নদী তীরবর্তী এলাকা।শুক্রবার রাতে ভুটান পাহাড়ে ভারী বৃষ্টির জেরে জলঢাকা সহ একাধিক নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী,রাতে ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য প্রশাসন বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে।

সাধারণত ভুটান পাহাড়ে মুষল ধারে বৃষ্টি হলে তার সরাসরি প্রভাব নাগরাকাটার নদী গুলিতে পড়ে।জলঢাকা ছাড়াও সুখানি, গাঠিয়া, কুজি ডায়না এবং ডায়না নদীর জলস্তর যেকোনো সময় বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পাহাড়ি এই নদীগুলি অত্যন্ত খরস্রোতা। তাই বৃষ্টি না থাকলেও পাহাড়ে মেঘ ভাঙা বর্ষণের জেরে মুহূর্তের মধ্যে ‘হড়পা বান’ বা ফ্ল্যাশ ফ্লাডের ঝুঁকি থেকে যায়।

পাহাড়ি নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার অতীতে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে। ডায়না ও গাঠিয়া নদীতে স্নান করতে নেমে প্রাণহানির ঘটনা এখনও এলাকাবাসীর মনে টাটকা। তবে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক গত ৫ই অক্টোবরের বিধ্বংসী বন্যার স্মৃতি ঘিরে। সেদিনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ১২ জনের মৃত্যু এবং ঘরবাড়ি,সেতু ও রাস্তাঘাট ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তার জন্য এখন থেকেই নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্তারা সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের থেকে গোটা বিষয়ের নজরদারি চালাচ্ছে।বন্যাকবলিত এলাকার আশেপাশের স্কুল গুলিকে আপত্তকালীন পরিস্থিতিতে তৈরি রাখা হয়েছে।নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার কথা প্রশাসনের তরফে বারংবার জানানো হচ্ছে।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পাহাড়ের ভারী বৃষ্টির জেরে জলস্তর বৃদ্ধি ডুয়ার্সের একাধিক নদীতে

আপডেট : ২১ জুন ২০২৬, রবিবার

ভাস্কর মহন্ত, নাগরাকাটা: আবারও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় প্রহর গুনছে নাগরাকাটা ব্লকের নদী তীরবর্তী এলাকা।শুক্রবার রাতে ভুটান পাহাড়ে ভারী বৃষ্টির জেরে জলঢাকা সহ একাধিক নদীর জলস্তর বেড়ে গিয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী,রাতে ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য প্রশাসন বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে।

সাধারণত ভুটান পাহাড়ে মুষল ধারে বৃষ্টি হলে তার সরাসরি প্রভাব নাগরাকাটার নদী গুলিতে পড়ে।জলঢাকা ছাড়াও সুখানি, গাঠিয়া, কুজি ডায়না এবং ডায়না নদীর জলস্তর যেকোনো সময় বিপদসীমার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পাহাড়ি এই নদীগুলি অত্যন্ত খরস্রোতা। তাই বৃষ্টি না থাকলেও পাহাড়ে মেঘ ভাঙা বর্ষণের জেরে মুহূর্তের মধ্যে ‘হড়পা বান’ বা ফ্ল্যাশ ফ্লাডের ঝুঁকি থেকে যায়।

পাহাড়ি নদীর জলস্তর হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার অতীতে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে। ডায়না ও গাঠিয়া নদীতে স্নান করতে নেমে প্রাণহানির ঘটনা এখনও এলাকাবাসীর মনে টাটকা। তবে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক গত ৫ই অক্টোবরের বিধ্বংসী বন্যার স্মৃতি ঘিরে। সেদিনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ১২ জনের মৃত্যু এবং ঘরবাড়ি,সেতু ও রাস্তাঘাট ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, তার জন্য এখন থেকেই নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্তারা সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের থেকে গোটা বিষয়ের নজরদারি চালাচ্ছে।বন্যাকবলিত এলাকার আশেপাশের স্কুল গুলিকে আপত্তকালীন পরিস্থিতিতে তৈরি রাখা হয়েছে।নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার কথা প্রশাসনের তরফে বারংবার জানানো হচ্ছে।