দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার ইকো পার্কে পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ প্রসারনীতি ২০২৬ প্রকাশ অনুষ্ঠানে শিল্পপতিদের অভয়বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিল্পপতিদের, তৃণমূল জামানায় সিন্ডিকেটরাজ ও তোলাবাজির, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর আশ্বাস, সরকার তাঁদের পাশে থাকবে। শুধু তাই নয়, দ্রুত পদক্ষেপেরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আগে পান, সুপারি থেকে বড় শিল্প, সবেতে চলত সিন্ডিকেটরাজ। তবে এখন তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও যদি কেউ তোলাবাজদের ‘দাদাগিরি’র মুখোমুখি পড়েন, সেক্ষেত্রে আমরা সবসময় তাঁর পাশে আছি। তাঁর সংযোজন, “আমাদের অভিযোগ জানানোর নম্বর চালু আছে। অভিযোগ জানাতে ফোন করবেন। ফোন পেলে মাত্র ১৫ মিনিটেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” পাশাপাশি তিনি রাজ্যে ব্যবসার ক্ষেত্রে শিল্পপতিদের স্বচ্ছতার প্রয়োজন রয়েছে বলেও জানান। তাঁর দাবি, তবেই বাংলায় আসবে শিল্পের জোয়ার এবং ফিরবে হাল।
শুধু তাই নয়, জমি অধিগ্রহণ নীতি ঘোষণা করে বাম-তৃণমূলকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সময়ে জমি অধিগ্রহণের কোনও নোটিফিকেশনই দেওয়া হয়নি। তার ফলস্বরূপ নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুরের মতো ঘটনা দেখেছে মানুষ। ২০১১-তে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসে ঘোষণা করে দিলেন শিল্পের জন্য অধিগৃহীত জমি নিয়ে আন্দোলন শুরু করলেন। পশ্চিমবঙ্গে জমি নীতির জন্য শিল্প নীতিও পর্যুদস্তু হয়।” তিনি আরও বলেন, “২০১৩ জমি অধিগ্রহণ নীতি অনুযায়ী, আমরা জমিদাতাদের সঙ্গে আলাচনা করব। কেড়ে নেওয়া নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে। মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রেদেশ, গুজরাটের জমি অধিগ্রহণ নীতি পর্যবেক্ষণ করেছি। সেই মতোই জমি অধিগ্রহণের বেশকিছুদিক নজরে রেখেছি। সরাসরি জমিদাতাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। প্রয়োজনে ইচ্ছুক জমিদাতাকে বাজারদরের বেশি মূল্য দেওয়া হবে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে জমি কিনে সরকার ল্যান্ড ব্যাঙ্ক তৈরি করবে। ইতিমধ্যেই নাবার্ড, আইডিবিআইয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে।”
নতুন গতি 










