০৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
০৪ নভেম্বর ২০২৬, বুধবার, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

“এখানে মিছিল করুক” কলকাতায় এসে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ স্মৃতির

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে জোরদার বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিরোধী ইন্ডি জোট। তার পাল্টা দিতে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও অরাজকতা হাঁটাও’ কর্মসূচি নিয়েছে গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার কলকাতায় আসেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল সহ সকল বিরোধীকে একহাত নেন। শুধু তাই নয়, তিনি বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ পর্যন্ত ছুড়ে দেন।

পশ্চিমবঙ্গে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাগাতার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দায়ী করে চলেছেন। আন্দোলন দেশব্যাপী রূপ নেয় পরবর্তীকালে ‘দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’এর এক প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর থেকে। পাল্টা তিলোত্তমায় স্মৃতি ইরানি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তাঁর তৃণমূলকে নিশানা করে বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ভোটার লিস্টে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। এখানে আন্দোলন না করে, দিল্লি যাচ্ছে।”

‘ইন্ডি’ জোটকে একহাত নিয়ে স্মৃতি ইরানি বলেছেন, “কংগ্রেস আগে থেকেই নির্বাচন হারছে। এবার কমিশনকে দোষ দিচ্ছে। ২০২৪ সালে জ্ঞানেশকুমার নির্বাচন কমিশনারই ছিলেন না। বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ও দেশকে বদনাম করতে বিদেশি সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।” তাঁর সংযোজন, “রাহুল গান্ধী লন্ডনে গিয় বলছেন মোদিকে হারাতে চান।” তাঁর প্রশ্ন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় না লড়ে দিল্লিতে লড়াই করছেন কেন?” বিরোধীদের তাঁর চ্যালেঞ্জ, “এখানে অধীর, মমতা, সিপিএম মিছিল করুক। এখানে কিছু করছে না, দিল্লিতে গিয়ে হাত মেলাচ্ছে।”

উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে আন্দোলনের সূত্রপাত ‘দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’এর এক প্রতিবেদন থেকে। ইন্ডি জোট ও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নয় গোটা দিল্লি। বিশেষ করে ১০ই অক্টোবর রীতিমতো তোলপাড় চলে গোটা রাজধানী জুড়ে। গত রবিবার, ১ নভেম্বর, দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এক বড় সভা করেছে বিরোধীরা। সেখানে বক্তব্য রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য প্রভাবশালী নেতারাও। এবার দেখার আগামীদিনে এই আন্দোলনের জল কতদূর গড়ায়।

“এখানে মিছিল করুক” কলকাতায় এসে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ স্মৃতির

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“এখানে মিছিল করুক” কলকাতায় এসে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ স্মৃতির

আপডেট : ৩ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে জোরদার বিক্ষোভ দেখাচ্ছে বিরোধী ইন্ডি জোট। তার পাল্টা দিতে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও অরাজকতা হাঁটাও’ কর্মসূচি নিয়েছে গেরুয়া শিবির। মঙ্গলবার কলকাতায় আসেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল সহ সকল বিরোধীকে একহাত নেন। শুধু তাই নয়, তিনি বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ পর্যন্ত ছুড়ে দেন।

পশ্চিমবঙ্গে অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাগাতার স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে দায়ী করে চলেছেন। আন্দোলন দেশব্যাপী রূপ নেয় পরবর্তীকালে ‘দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’এর এক প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর থেকে। পাল্টা তিলোত্তমায় স্মৃতি ইরানি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তাঁর তৃণমূলকে নিশানা করে বলেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ভোটার লিস্টে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। এখানে আন্দোলন না করে, দিল্লি যাচ্ছে।”

‘ইন্ডি’ জোটকে একহাত নিয়ে স্মৃতি ইরানি বলেছেন, “কংগ্রেস আগে থেকেই নির্বাচন হারছে। এবার কমিশনকে দোষ দিচ্ছে। ২০২৪ সালে জ্ঞানেশকুমার নির্বাচন কমিশনারই ছিলেন না। বিজেপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ও দেশকে বদনাম করতে বিদেশি সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।” তাঁর সংযোজন, “রাহুল গান্ধী লন্ডনে গিয় বলছেন মোদিকে হারাতে চান।” তাঁর প্রশ্ন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় না লড়ে দিল্লিতে লড়াই করছেন কেন?” বিরোধীদের তাঁর চ্যালেঞ্জ, “এখানে অধীর, মমতা, সিপিএম মিছিল করুক। এখানে কিছু করছে না, দিল্লিতে গিয়ে হাত মেলাচ্ছে।”

উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে আন্দোলনের সূত্রপাত ‘দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’এর এক প্রতিবেদন থেকে। ইন্ডি জোট ও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নয় গোটা দিল্লি। বিশেষ করে ১০ই অক্টোবর রীতিমতো তোলপাড় চলে গোটা রাজধানী জুড়ে। গত রবিবার, ১ নভেম্বর, দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এক বড় সভা করেছে বিরোধীরা। সেখানে বক্তব্য রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য প্রভাবশালী নেতারাও। এবার দেখার আগামীদিনে এই আন্দোলনের জল কতদূর গড়ায়।