২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

দেবজিৎ মুখার্জি: এসআইআর বাতিল ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ইন্ডি জোট, ককরোচ জনতা পার্টি সহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে দিল্লি সহ সমগ্র জাতীয় রাজনীতিতে। এর মধ্যেই পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠলো কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাবাকে নিয়ে, আপত্তিকর মন্তব্য করে। গোটা দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেমেছেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। আঁচ পড়ে রাজধানীতেও। কংগ্রেস নেতার বাসভবনের সামনের বিক্ষোভ দেখাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা।

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার থেকে। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পাটনায় মল্লিকার্জুন খাড়গের বক্তৃতা চলাকালীন এক ব্যক্তি বলেন, “দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” তবে সেই কথাটি তাঁর কানে পুরোটা না পৌঁছানোয় তিনি, “মোদি কোত্থাও যাবেন না।” তাতে কিছুটা রেগে আপত্তিকর মন্তব্য করে বসেন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলে বসেন, “মোদির বাপকেও যেতে হবে।” ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে পৌঁছায়। একে অপরকে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ করে কংগ্রেস ও বিজেপি।

মল্লিকার্জুন খাড়গের এই আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে সোমবার পথে নামেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাঁদের কর্মসূচিকে ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকা সহ নানা রাজ্যে। তবে দিল্লিতে গেরুয়া শিবিরের বিক্ষোভ রীতিমত হইচই ফেলে দেয়। এদিন দলীয় নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন রাজাজি মার্গে অবস্থিত মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে বাসভবনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন। সেনা ভবন সার্কেল থেকে কংগ্রেস সভাপতির বাসভবনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের আটকায় পুলিশ। আটক নেতা-কর্মীদের পরে বাসে তুলে মন্দির মার্গ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। দিল্লি বিজেপির তরফ থেকে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজ্যের বিজেপি সভাপতি হর্ষ মালহোত্রা সহ প্রায় দুই হাজার নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে এবং পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

 

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি: এসআইআর বাতিল ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ইন্ডি জোট, ককরোচ জনতা পার্টি সহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভ ঘিরে এক চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে দিল্লি সহ সমগ্র জাতীয় রাজনীতিতে। এর মধ্যেই পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠলো কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাবাকে নিয়ে, আপত্তিকর মন্তব্য করে। গোটা দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেমেছেন গেরুয়া শিবিরের নেতা-কর্মীরা। আঁচ পড়ে রাজধানীতেও। কংগ্রেস নেতার বাসভবনের সামনের বিক্ষোভ দেখাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা।

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার থেকে। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শ্রীকৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পাটনায় মল্লিকার্জুন খাড়গের বক্তৃতা চলাকালীন এক ব্যক্তি বলেন, “দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” তবে সেই কথাটি তাঁর কানে পুরোটা না পৌঁছানোয় তিনি, “মোদি কোত্থাও যাবেন না।” তাতে কিছুটা রেগে আপত্তিকর মন্তব্য করে বসেন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলে বসেন, “মোদির বাপকেও যেতে হবে।” ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে পৌঁছায়। একে অপরকে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ করে কংগ্রেস ও বিজেপি।

মল্লিকার্জুন খাড়গের এই আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে সোমবার পথে নামেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাঁদের কর্মসূচিকে ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকা সহ নানা রাজ্যে। তবে দিল্লিতে গেরুয়া শিবিরের বিক্ষোভ রীতিমত হইচই ফেলে দেয়। এদিন দলীয় নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন রাজাজি মার্গে অবস্থিত মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে বাসভবনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করেন। সেনা ভবন সার্কেল থেকে কংগ্রেস সভাপতির বাসভবনের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের আটকায় পুলিশ। আটক নেতা-কর্মীদের পরে বাসে তুলে মন্দির মার্গ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। দিল্লি বিজেপির তরফ থেকে এক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রাজ্যের বিজেপি সভাপতি হর্ষ মালহোত্রা সহ প্রায় দুই হাজার নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে এবং পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।