২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

খাড়গের আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে পথে নামল গেরুয়া শিবির

দেবজিৎ মুখার্জি: ‘বাবা’ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের অভিযোগ তুলে সোমবার দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন গেরুয়া শিবিরের। দলের নেতা-কর্মীদের দাবি, রাজ্যসভার বিরোধী নেতার পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে হাত শিবিরের প্রবীণ নেতাকে। সোমবার বিজেপি নেতা-কর্মীদের এই প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা দেশ।

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার থেকে। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পাটনায় মল্লিকার্জুন খাড়গের বক্তৃতা চলাকালীন এক ব্যক্তি বলেন, “দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” তবে সেই কথাটি তাঁর কানে পুরোটা না পৌঁছানোয় তিনি, “মোদি কোত্থাও যাবেন না।” তাতে কিছুটা রেগে আপত্তিকর মন্তব্য করে বসেন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলে বসেন, “মোদির বাপকেও যেতে হবে।” ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে পৌঁছায়। একে অপরকে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ করে কংগ্রেস ও বিজেপি।

মল্লিকার্জুন খাড়গের এই আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে সোমবার পথে নামেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাঁদের কর্মসূচিকে ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকা সহ নানা রাজ্যে। মিছিলের পাশাপাশি পোস্টার ও কুশপুতুলও পোড়ানো হয়। বিহারে বিশাল মিছিল বের করেন পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা। স্লোগান তোলার পাশাপাশি, খাড়গের পদত্যাগেরও দাবি করা হয়। এমনকি পোড়ানো হয় কংগ্রেস সভাপতির কুশপুতুলও। উত্তপ্ত হয়েছে জম্মুও। বিজেপি কর্মীদের তরফ থেকে পোড়ানো হয় খাড়গের পোস্টার। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। কয়েকজনকে এর জেরে গ্রেপ্তার পর্যন্ত করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, একাধিক রাজ্যে বিজেপির দপ্তরের সামনেও প্রতিবাদ কর্মসূচি চলে। তবে দিল্লিতে রীতিমত তোলপাড় চলে যখন বিজেপি নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান খাড়গের বাসভবনের নিকটে।

খাড়গের বাসভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, আটক করা হয় প্রায় ২০০০ জনকে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাড়গের আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে পথে নামল গেরুয়া শিবির

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি: ‘বাবা’ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের অভিযোগ তুলে সোমবার দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন গেরুয়া শিবিরের। দলের নেতা-কর্মীদের দাবি, রাজ্যসভার বিরোধী নেতার পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে হাত শিবিরের প্রবীণ নেতাকে। সোমবার বিজেপি নেতা-কর্মীদের এই প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা দেশ।

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার থেকে। বিহারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কৃষ্ণ সিংয়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পাটনায় মল্লিকার্জুন খাড়গের বক্তৃতা চলাকালীন এক ব্যক্তি বলেন, “দেশে বিদ্রোহ না হলে মোদিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” তবে সেই কথাটি তাঁর কানে পুরোটা না পৌঁছানোয় তিনি, “মোদি কোত্থাও যাবেন না।” তাতে কিছুটা রেগে আপত্তিকর মন্তব্য করে বসেন কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলে বসেন, “মোদির বাপকেও যেতে হবে।” ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে পৌঁছায়। একে অপরকে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ করে কংগ্রেস ও বিজেপি।

মল্লিকার্জুন খাড়গের এই আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে সোমবার পথে নামেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। তাঁদের কর্মসূচিকে ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকা সহ নানা রাজ্যে। মিছিলের পাশাপাশি পোস্টার ও কুশপুতুলও পোড়ানো হয়। বিহারে বিশাল মিছিল বের করেন পদ্ম শিবিরের নেতা-কর্মীরা। স্লোগান তোলার পাশাপাশি, খাড়গের পদত্যাগেরও দাবি করা হয়। এমনকি পোড়ানো হয় কংগ্রেস সভাপতির কুশপুতুলও। উত্তপ্ত হয়েছে জম্মুও। বিজেপি কর্মীদের তরফ থেকে পোড়ানো হয় খাড়গের পোস্টার। বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। কয়েকজনকে এর জেরে গ্রেপ্তার পর্যন্ত করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, একাধিক রাজ্যে বিজেপির দপ্তরের সামনেও প্রতিবাদ কর্মসূচি চলে। তবে দিল্লিতে রীতিমত তোলপাড় চলে যখন বিজেপি নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান খাড়গের বাসভবনের নিকটে।