২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

“পাক-আমেরিকার সম্পর্কে ক্ষতি হবে না ভারতের” রুবিও

নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে ফেলেছে ভারতকে। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি ভারতে আসা মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও আশ্বস্ত করেছেন পাক-আমেরিকার সম্পর্কে কোনওভাবেই ক্ষতি হবে না ভারতের।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “ট্রাম্পের সঙ্গে ১৯৭০-এর দশকের নিক্সন-কিসিঞ্জার আমলের তুলনা করাটা যথার্থ নয়, কারণ এখন বিশ্বব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। রিচার্ড নিক্সনের রাষ্ট্রপতিত্বকালে, যখন হেনরি কিসিঞ্জার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন, তখন দক্ষিণ এশিয়ার বিষয়ে আমেরিকার নীতিতে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানের সামরিক শাসনের প্রতি স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখা গিয়েছিল।”

তিনি আরও বলেছেন, “আমি ১৯৭০-এর দশককে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করব না। কারণ, বর্তমান বিশ্ব সেই সময়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। তখন স্নায়ুযুদ্ধ-সহ এমন অনেক পরিস্থিতি ও সমীকরণ ছিল, যা এখন আর নেই।” রুবিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “বিশ্বের অন্য কোনও দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনই ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বিনিময়ে গড়ে ওঠেনি।” এর সঙ্গে তিনি এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “আমার ভারত সফর দু’দেশের বাণিজ্যচুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে অঙ্গীকার, আমাদের মধ্যকার যাবতীয় যোগাযোগ এবং যৌথভাবে কাজ করার মানসিকতাকেই তুলে ধরে। পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক রয়েছে, তা বজায় রাখা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সম্পর্কের কারণে ভারতের কোনও ক্ষতি হবে না।”

 

জেলমুক্ত সৌরভ-আশুতোষ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“পাক-আমেরিকার সম্পর্কে ক্ষতি হবে না ভারতের” রুবিও

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার

নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে ফেলেছে ভারতকে। এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি ভারতে আসা মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও আশ্বস্ত করেছেন পাক-আমেরিকার সম্পর্কে কোনওভাবেই ক্ষতি হবে না ভারতের।

এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “ট্রাম্পের সঙ্গে ১৯৭০-এর দশকের নিক্সন-কিসিঞ্জার আমলের তুলনা করাটা যথার্থ নয়, কারণ এখন বিশ্বব্যবস্থায় পরিবর্তন এসেছে। রিচার্ড নিক্সনের রাষ্ট্রপতিত্বকালে, যখন হেনরি কিসিঞ্জার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন, তখন দক্ষিণ এশিয়ার বিষয়ে আমেরিকার নীতিতে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তানের সামরিক শাসনের প্রতি স্পষ্ট পক্ষপাতিত্ব দেখা গিয়েছিল।”

তিনি আরও বলেছেন, “আমি ১৯৭০-এর দশককে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করব না। কারণ, বর্তমান বিশ্ব সেই সময়ের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। তখন স্নায়ুযুদ্ধ-সহ এমন অনেক পরিস্থিতি ও সমীকরণ ছিল, যা এখন আর নেই।” রুবিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “বিশ্বের অন্য কোনও দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনই ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বিনিময়ে গড়ে ওঠেনি।” এর সঙ্গে তিনি এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “আমার ভারত সফর দু’দেশের বাণিজ্যচুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে অঙ্গীকার, আমাদের মধ্যকার যাবতীয় যোগাযোগ এবং যৌথভাবে কাজ করার মানসিকতাকেই তুলে ধরে। পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক রয়েছে, তা বজায় রাখা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সম্পর্কের কারণে ভারতের কোনও ক্ষতি হবে না।”