১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

জারি রাখলো লড়াই, সেমি ফাইনালে ফ্রান্স

নিউজ ডেস্ক: ফুটবলে একটা জাদুবাক্স আছে। সেখানে বন্দি থাকে জয়-পরাজয়ের হিসাব। যা একবার সেখানে ঢুকে পড়লে বেরিয়ে আসার সুযোগ নেই। ঠিক যেমন চার বছর আগে। হইহই করে সেমিফাইনালে মরক্কো। কিন্তু ‘অ্যাটলাস লায়ন্স’কে হৃদয়ভাঙার গল্প শুনিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর নদী দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। অভিবাসন নীতি নিয়ে কঠোর হয়েছে ফ্রান্স। এতে যেমন উষ্মার মেঘ পুঞ্জীভূত হয়েছে। তেমনই পশ্চিম সাহারা ইস্যুতে মরক্কোর সার্বভৌমত্বকে সমর্থন জানিয়েছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। যা মেঘ কাটিয়ে স্বস্তির বৃষ্টি এনেছে। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্স-মরক্কোর দ্বৈরথ দুই দেশের পোস্ট-কলোনিয়াল ইতিহাসকে সামনে নিয়ে আসে। তাকে সাক্ষী রেখে এবার চার বছর আগের অপূর্ণ হিসাব মিটিয়ে নতুন ইতিহাস লেখার সুযোগ ছিল মরক্কোর কাছে। কিন্তু ফুটবল মাঝেমাঝেই বড্ড নির্মম। এমবাপেদের হারিয়ে চতুর্বার্ষিক ক্ষতের উপশম হল না ইয়াসিন বোনো, আশরাফ হাকিমিদের। ওই যে বলা হয়েছে জাদুবাক্স। সেখানে এদিন মরক্কোর পরাজয়ের চিরকুট জমা করলেন ফুটবলদেবতা। বদলার ম্যাচে নিষ্ফলা থাকল মরক্কো। এমবাপে-দেম্বেলে জোড়া ফলায় সেমিফাইনালে ফ্রান্স।

শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য দেখায় ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ও দেজিরে দুয়ের নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণ শানায় তারা। কিন্তু প্রতিবারই মরক্কোর রক্ষণ পতন রোধ করেছে। একই সঙ্গে ইয়াসিন বোনো ছিলেন দুরন্ত। প্রায় একার হাতেই ঠেকিয়ে দিচ্ছিলেন দিদিয়ের দেশঁর ছেলেদের। ২৫ পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। আশরফ হাকিমির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে এমবাপেকে পাস বাড়ান দুয়ে। গতি বাড়িয়ে মরক্কোর বক্সে ঢুকে পড়তেই তাঁকে ফাউল করেন নৌসের মাজরাউই। প্রায় ৩ মিনিট ধরে ভিএআর রিপ্লে দেখে যাচাইয়ের পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বহাল থাকলেও স্পটকিক থেকে এমবাপের নেওয়া দুর্বল শট রুখে দেন মরক্কো গোলরক্ষক। এরপরও সুযোগ তৈরি করে ফ্রান্স।

হাটের জমি রেকর্ড নিয়ে প্রশ্ন,বিডিও অফিসে প্রথম শুনানিতেও কাটল না জট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জারি রাখলো লড়াই, সেমি ফাইনালে ফ্রান্স

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: ফুটবলে একটা জাদুবাক্স আছে। সেখানে বন্দি থাকে জয়-পরাজয়ের হিসাব। যা একবার সেখানে ঢুকে পড়লে বেরিয়ে আসার সুযোগ নেই। ঠিক যেমন চার বছর আগে। হইহই করে সেমিফাইনালে মরক্কো। কিন্তু ‘অ্যাটলাস লায়ন্স’কে হৃদয়ভাঙার গল্প শুনিয়েছিল ফ্রান্স। এরপর নদী দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। অভিবাসন নীতি নিয়ে কঠোর হয়েছে ফ্রান্স। এতে যেমন উষ্মার মেঘ পুঞ্জীভূত হয়েছে। তেমনই পশ্চিম সাহারা ইস্যুতে মরক্কোর সার্বভৌমত্বকে সমর্থন জানিয়েছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। যা মেঘ কাটিয়ে স্বস্তির বৃষ্টি এনেছে। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্স-মরক্কোর দ্বৈরথ দুই দেশের পোস্ট-কলোনিয়াল ইতিহাসকে সামনে নিয়ে আসে। তাকে সাক্ষী রেখে এবার চার বছর আগের অপূর্ণ হিসাব মিটিয়ে নতুন ইতিহাস লেখার সুযোগ ছিল মরক্কোর কাছে। কিন্তু ফুটবল মাঝেমাঝেই বড্ড নির্মম। এমবাপেদের হারিয়ে চতুর্বার্ষিক ক্ষতের উপশম হল না ইয়াসিন বোনো, আশরাফ হাকিমিদের। ওই যে বলা হয়েছে জাদুবাক্স। সেখানে এদিন মরক্কোর পরাজয়ের চিরকুট জমা করলেন ফুটবলদেবতা। বদলার ম্যাচে নিষ্ফলা থাকল মরক্কো। এমবাপে-দেম্বেলে জোড়া ফলায় সেমিফাইনালে ফ্রান্স।

শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য দেখায় ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ও দেজিরে দুয়ের নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণ শানায় তারা। কিন্তু প্রতিবারই মরক্কোর রক্ষণ পতন রোধ করেছে। একই সঙ্গে ইয়াসিন বোনো ছিলেন দুরন্ত। প্রায় একার হাতেই ঠেকিয়ে দিচ্ছিলেন দিদিয়ের দেশঁর ছেলেদের। ২৫ পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। আশরফ হাকিমির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে এমবাপেকে পাস বাড়ান দুয়ে। গতি বাড়িয়ে মরক্কোর বক্সে ঢুকে পড়তেই তাঁকে ফাউল করেন নৌসের মাজরাউই। প্রায় ৩ মিনিট ধরে ভিএআর রিপ্লে দেখে যাচাইয়ের পর পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বহাল থাকলেও স্পটকিক থেকে এমবাপের নেওয়া দুর্বল শট রুখে দেন মরক্কো গোলরক্ষক। এরপরও সুযোগ তৈরি করে ফ্রান্স।