১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শেষ পর্যন্ত অভিষেক-কুণালের উচ্চ বাদানুবাদ থামালেন মমতা

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: ভাবতেই অবাক লাগে তৃণমূলে অভিষেকের সঙ্গে মুখ লাগানোর সাহস কেউ দেখিয়েছেন। শনিবার তৃণমূলের মিটিংয়ে সেই কাজটা করে দেখালেন কুনাল ঘোষ। শনিবার ঘাসফুল শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে তীব্র বাদানুবাদ। সূত্রের খবর, দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেই তর্কে জড়ান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষ।

অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে কেন্দ্র করেই তাঁদের বিবাদ বাধে। বৈঠকের ঘরের বাইরে থেকেও বাদানুবাদের তীব্র আওয়াজ শোনা যায়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছিলেন। সূত্রের খবর, বৈঠক চলাকালীন কুণালের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, “সুমিত রায়কে নিয়ে তুমি বিরূপ মন্তব্য কেন করেছ?” জবাবে কুণাল বলেন, “সুমিত আমাদের পার্টির কেউ নন, তাঁকে ডিফেন্ড করতে যাব কেন?” অভিষেক আরও অভিযোগ করেন, “আমার সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করেছ।” সূত্রের খবর, এই নিয়ে দুই নেতার তীব্র বাদানুবাদ হয়। চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ মিটিং রুমের বাইরে থেকেও শোনা যায়। দলের দুই নেতাকে শান্ত করতে বৈঠকের মাঝেই হস্তক্ষেপ করতে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন ভোরেই সুমিত রায়ের খোঁজে অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ। তারপরই সুমিত রায়কে নিশানা করেছিলেন কুণাল।

তিনি বলেন, “নেতাদের সুমিত রায়কেও খুশি করতে হত। সুমিত রায়ের ফ্যান ক্লাব হয়ে গেল। সুমিত রায়কে খুশি না রাখলে অভিষেকের টাইম পাওয়া যাবে না। একটা আলাদা বৃত্ত তৈরি করে প্যারালাল দাদাগিরি চালিয়েছে।” তবে সুমিত রায়ের খোঁজে এদিন যেভাবে পুলিশ অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে, তার নিন্দা করেছিলেন কুণাল। বলেছিলেন, “ওকে খুঁজতে অভিষেকের বাড়িতে রাত ৩ টায় তালা ভেঙে ঢোকে তল্লাশি, এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।” বৈঠক শেষে অভিষেক-কুণালের বাদানুবাদ নিয়ে তৃণমূলের কেউ মুখ খোলেননি। তবে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কুণালকে দলের উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করেছেন।

অ্যাটাকিং ফুটবল খেলেও ব্যর্থ টার্কি, জয় অজিদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শেষ পর্যন্ত অভিষেক-কুণালের উচ্চ বাদানুবাদ থামালেন মমতা

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, রবিবার

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: ভাবতেই অবাক লাগে তৃণমূলে অভিষেকের সঙ্গে মুখ লাগানোর সাহস কেউ দেখিয়েছেন। শনিবার তৃণমূলের মিটিংয়ে সেই কাজটা করে দেখালেন কুনাল ঘোষ। শনিবার ঘাসফুল শিবিরের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে তীব্র বাদানুবাদ। সূত্রের খবর, দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেই তর্কে জড়ান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুণাল ঘোষ।

অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে কেন্দ্র করেই তাঁদের বিবাদ বাধে। বৈঠকের ঘরের বাইরে থেকেও বাদানুবাদের তীব্র আওয়াজ শোনা যায়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেছিলেন। সূত্রের খবর, বৈঠক চলাকালীন কুণালের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, “সুমিত রায়কে নিয়ে তুমি বিরূপ মন্তব্য কেন করেছ?” জবাবে কুণাল বলেন, “সুমিত আমাদের পার্টির কেউ নন, তাঁকে ডিফেন্ড করতে যাব কেন?” অভিষেক আরও অভিযোগ করেন, “আমার সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করেছ।” সূত্রের খবর, এই নিয়ে দুই নেতার তীব্র বাদানুবাদ হয়। চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ মিটিং রুমের বাইরে থেকেও শোনা যায়। দলের দুই নেতাকে শান্ত করতে বৈঠকের মাঝেই হস্তক্ষেপ করতে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এদিন ভোরেই সুমিত রায়ের খোঁজে অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল পুলিশ। তারপরই সুমিত রায়কে নিশানা করেছিলেন কুণাল।

তিনি বলেন, “নেতাদের সুমিত রায়কেও খুশি করতে হত। সুমিত রায়ের ফ্যান ক্লাব হয়ে গেল। সুমিত রায়কে খুশি না রাখলে অভিষেকের টাইম পাওয়া যাবে না। একটা আলাদা বৃত্ত তৈরি করে প্যারালাল দাদাগিরি চালিয়েছে।” তবে সুমিত রায়ের খোঁজে এদিন যেভাবে পুলিশ অভিষেকের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে, তার নিন্দা করেছিলেন কুণাল। বলেছিলেন, “ওকে খুঁজতে অভিষেকের বাড়িতে রাত ৩ টায় তালা ভেঙে ঢোকে তল্লাশি, এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।” বৈঠক শেষে অভিষেক-কুণালের বাদানুবাদ নিয়ে তৃণমূলের কেউ মুখ খোলেননি। তবে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কুণালকে দলের উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করেছেন।