দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই নানাভাবে ধাক্কা খেয়ে চলেছে প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। কোথাও দলীয় নেতা-কর্মীরা হিংসার শিকার হচ্ছেন, তো কোথাও আবার গ্রেফতার করা হচ্ছে নেতাদের। শুধু তাই নয়, ‘চোর’ স্লোগান পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে নেতাদের উদ্দেশে। খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর শিকার হয়েছেন। চরম হেনস্থা ও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েটদের।
এই আবহে ঘুরে দাঁড়াতে ধর্মতলায় ধরনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২ জুন শহরের অন্যতম ব্যস্ততম রাস্তায় অবস্থান বিক্ষোভে বসার কথা ছিল তাঁর ও দলের অন্যান্য নেতার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই কর্মসূচিতে পরিবর্তন আনলেন তিনি। কী সেই পরিবর্তন? অবস্থান বিক্ষোভে বসার বদলে তিনি প্রতিবাদী পদযাত্রা করবেন রানী রাসমণি অ্যাভিনিউ জুড়ে। বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছে গিয়েছে রাজ্যবাসীদের একাংশের। বলা ভালো, একাংশ অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁর পথে নেমে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই শুরু করার।
তৃণমূল কংগ্রেসের ভিতরের খবর, এই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে পুলিশি অনুমতি না পাওয়া গেলেও তিনি আইনের দরবারে যাবেন না অনুমতির জন্য। বরং এক সাধারন নাগরিক হিসেবে তিনি রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাবেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। দলীয় সূত্রের খবর, ভোট পরবর্তী হিংসা, কারচুপি সহ একাধিক ইস্যুকে সামনে রেখে তিনি এই প্রতিবাদী পদযাত্রা করবেন।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপ দলের সকল স্তরের নেতার পাশাপাশি কর্মীদের মনোবলও চাঙ্গা করবে। দলের এই দুঃসময়ে তাঁর পথে নামা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা না বললেও বোঝা যায়। শুধু তাই নয়, রাজ্যবাসীদের একাংশে নজর রয়েছে যে তিনি সেদিন কোনও বড় ঘোষণা করেন কিনা। এই প্রতিবাদী পদযাত্রা নিয়ে আগ্রহ আলাদা মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে দলীয় কর্মীদের। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়।
নতুন গতি 
























