আনজুম মুনীর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার মডেল আসলে যে ছিল ফলস ভোটিংয়ের আস্তানা, তা বেশ স্পষ্ট হলো আজ। ফলতাতে ২ বছর আগে লোকসভা নির্বাচনে ১ লক্ষ ৬৫ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে ছিলেন অভিষেক। রবিবার সেই ফলতাতেই পুনর্নির্বাচনে ১ লক্ষের বেশি ভোটে হারল তৃণমূল। শুধু হারা নয়, চতুর্থ স্থানে শেষ করলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। আর ফলতার ফল বেরতেই তৃণমূলকে খোঁচা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখলেন, “আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের সামনে নির্বাচনে ‘নোটা’র বিরুদ্ধে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে।”
গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে ফলতার বহু বুথে ইভিএমে সেলোটেপ দেওয়ার ঘটনা সামনে আসে। এরপরই ফলতায় পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সেইসময় অভিষেক বলেছিলেন, ‘দশ জন্মেও আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলকে দমাতে পারবে না। দিল্লি থেকে যত শক্তশালী, যাকে খুশি আনুন, ক্ষমতা থাকলে ফলতায় লড়ে দেখাও।’ ফলতার নির্বাচনে এক লক্ষের বেশি ভোটে জয়ী হলেন বিজেপির দেবাংশু পণ্ডা। প্রাপ্ত ভোট ১,৪৯,৬৬৬। দ্বিতীয় স্থানে সিপিএম। প্রাপ্ত ভোট ৪০,৬৪৫। তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস। প্রাপ্ত ভোট ১০,০৮৪ জন ও তৃণমূলের জাহাঙ্গীর খান পেলেন ৭,৭৮৩টি ভোট।
এদিন ফলতার ফল বেরনোর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু লেখেন, ‘কুখ্যাত ‘ডায়মন্ড হারবার’ মডেল পরিণত হল ‘তৃণমূলের হার-বার’ মডেলে !!!’ বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করার জন্য ফলতার ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “একটি নীতি-আদর্শহীন দল, যা মাফিয়া কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়েছিল, ক্ষমতা হারাতেই তার কঙ্কালসার দশা উন্মোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করে সরকারি ধন লুঠ, মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ তোলাবাজি, সিন্ডিকেট ও থ্রেট কালচারের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে এই দলের নেতারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল।”
নতুন গতি 






















