দেবজিৎ মুখার্জি: “ভোট বাঁচাও নয়, বিরোধীদের মিছিলের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশি ঘুসপেটিয়া বাঁচাও” হায়দ্রাবাদে জনসভা থেকে কংগ্রেস সহ সকল বিরোধী দলকে একহাত নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে ‘নকল প্রধানমন্ত্রী’ তকমা দেওয়ার পাশাপাশি বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও একহাত নেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, “দিদির ‘সুপরা সাফ’ হয়ে গিয়েছে।”
রবিবার, ১ নভেম্বর, দিল্লির রামলীলা ময়দানে ভোটচুরি ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে এক বিশাল সভা করে বিরোধী ইন্ডি জোট। সভামঞ্চ থেকে রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক প্রভাবশালী নেতা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং বিজেপি সরকারের নীতির তীব্র সমালোচনা করেন। এই কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি ছিল দেখার মতো।
সোমবার হায়দ্রাবাদের জনসভা থেকে কংগ্রেস সহ সকল বিরোধীদের পাল্টা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, “কংগ্রেস যে ভোট বাঁচাও মিছিল করেছে, সেটি আসলে অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষার জন্য মিছিল। রাহুল গান্ধী এবং মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি সমস্ত চেষ্টাই বিফলে যাবে। ২০১৯ সালেও আমরা জিতেছি, তখন তো এসআইআর হয়নি। তাহলে কীভাবে আমরা জিতলাম?” বিরোধীদের তাঁর চ্যালেঞ্জ, “এসআইআর ও ইভিএম নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত।”
ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ প্রসঙ্গে অমিত শাহের প্রশ্ন, “যদি ইভিএমে কারচুপি হত, তাহলে তেলেঙ্গানায় কংগ্রেস কীভাবে জিতল? কেরলেও কীভাবে সরকার গড়ল? বিরোধীরা যে ১৩ কোটি ভোটার মুছে ফেলার অভিযোগ এনেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। মৃত ব্যক্তিদের ভোট তালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত কি না?” তিনি আরও বলেন, “জিতলে মানুষ জিতিয়েছে, হেরে গেলে ইভিএমের দোষ। রাহুল নকল সংসদে নকল প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন।” তাঁর সংযোজন, “কংগ্রেস গোটা দেশ থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। তাদের দশ বছরের শাসনকালে ১২ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে, অথচ নরেন্দ্র মোদির জমানায় দুর্নীতির একটি অভিযোগও ওঠেনি।” পাশাপাশি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, “বাংলায় তৃণমূল সাফ হয়ে গিয়েছে। দিদির ‘সুপরা সাফ’ হয়ে গিয়েছে।”
নতুন গতি 










