০৩ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
০৩ নভেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

বিধানসভায় শোভনদেব নিজেকে সরবভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি বললে বিজেপি বিধায়করা বলে ওঠেন ‘ ওটা সর্ব ভারতীয় তৃণমূল নয়, ভবানীপুর তৃণমূল’

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: সোমবার বিধানসভায় আবার কাজিয়ায় জড়িয়ে পারেন ‘ঋতব্রত তৃণমূলের আখরুজ্জামান ও কুনাল । তৃণমূলের কোন শিবিরের কে বক্তব্য রাখবেন তা নিয়ে সোমবার তুমুল হট্টগোল হল রাজ্য বিধানসভায়। এই নিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূলের বিধায়করা। তৃণমূলের দুই শিবিরের এই ঝামেলার মধ্যে একের পর এক কটাক্ষ করতে দেখা যায় শাসক শিবিরের বিধায়ককে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলতে উঠে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ বলে মন্তব্য করলে শাসকদলের এক বিধায়ক বলেন, ‘ওটা সর্বভারতীয় নয়, কালীঘাট তৃণমূল।’ তৃণমূলের এই ‘ঘরের ঝামেলা ঘরে’ মেটানোর পরামর্শ দেন শাসকদলের কয়েকজন বিধায়ক।

এদিন বিধানসভায় গুন্ডা দমন বিল নিয়ে কে কে বক্তব্য রাখবেন তার তালিকা স্পিকারের কাছে জমা দেন মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান। সেই তালিকায় নাম ছিল কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু শোভনদেব জানান, তিনি এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য রাখতে চান না। তিনি চান, তাঁর জায়গায় কুণাল ঘোষ বক্তব্য রাখুন। কিন্তু তাতে রাজি হননি স্পিকার। তিনি বলেন, যার নাম রয়েছে তাঁকেই বলতে হবে। তার জায়গায় অন্য কেউ বলতে পারবেন না। শোভনদেব বলতে উঠে প্রথমেই বলেন, ‘ আমরা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস…’। এরপরই শাসকদলের বিধায়কদের আসন থেকে কটাক্ষ ভেসে আসে। বলতে বলতে থেমে যেতে বাধ্য হন শোভনদেব। বক্তব্য পেশ করা নিয়ে ঋতব্রত তৃণমূলের আখরুজ্জামানের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কুণাল।

চোরবাগানে দুর্ঘটনাকে ‘ছোট ঘটনা’ বলে বিতর্কে জড়ালেন রথীন্দ্র বসু

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিধানসভায় শোভনদেব নিজেকে সরবভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি বললে বিজেপি বিধায়করা বলে ওঠেন ‘ ওটা সর্ব ভারতীয় তৃণমূল নয়, ভবানীপুর তৃণমূল’

আপডেট : ১ জুলাই ২০২৬, বুধবার

দেবজিত মুখার্জী, কলকাতা: সোমবার বিধানসভায় আবার কাজিয়ায় জড়িয়ে পারেন ‘ঋতব্রত তৃণমূলের আখরুজ্জামান ও কুনাল । তৃণমূলের কোন শিবিরের কে বক্তব্য রাখবেন তা নিয়ে সোমবার তুমুল হট্টগোল হল রাজ্য বিধানসভায়। এই নিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত তৃণমূলের বিধায়করা। তৃণমূলের দুই শিবিরের এই ঝামেলার মধ্যে একের পর এক কটাক্ষ করতে দেখা যায় শাসক শিবিরের বিধায়ককে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলতে উঠে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ বলে মন্তব্য করলে শাসকদলের এক বিধায়ক বলেন, ‘ওটা সর্বভারতীয় নয়, কালীঘাট তৃণমূল।’ তৃণমূলের এই ‘ঘরের ঝামেলা ঘরে’ মেটানোর পরামর্শ দেন শাসকদলের কয়েকজন বিধায়ক।

এদিন বিধানসভায় গুন্ডা দমন বিল নিয়ে কে কে বক্তব্য রাখবেন তার তালিকা স্পিকারের কাছে জমা দেন মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামান। সেই তালিকায় নাম ছিল কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু শোভনদেব জানান, তিনি এই বিষয়ে কোনও বক্তব্য রাখতে চান না। তিনি চান, তাঁর জায়গায় কুণাল ঘোষ বক্তব্য রাখুন। কিন্তু তাতে রাজি হননি স্পিকার। তিনি বলেন, যার নাম রয়েছে তাঁকেই বলতে হবে। তার জায়গায় অন্য কেউ বলতে পারবেন না। শোভনদেব বলতে উঠে প্রথমেই বলেন, ‘ আমরা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস…’। এরপরই শাসকদলের বিধায়কদের আসন থেকে কটাক্ষ ভেসে আসে। বলতে বলতে থেমে যেতে বাধ্য হন শোভনদেব। বক্তব্য পেশ করা নিয়ে ঋতব্রত তৃণমূলের আখরুজ্জামানের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কুণাল।