২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

স্কটল্যান্ডকে দাঁড়াতেই দিলো না ব্রাজিল

নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের জার্সি গায়ে আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি আহামরি কিছু করলেন না, শুধু সুযোগসন্ধানী শিকারীর মতো প্রতিপক্ষের জালে দু’বার আঘাত হেনে বুঝিয়ে দিলেন, ব্রাজিল ফুটবলের পতাকাবাহী হয়ে বিশ্বকাপ কাঁপাতে তিনিও প্রস্তুত। ভিনির সেই জোড়া গোল এবং মাথেইস কুনহার নিখুঁত ফিনিশিং স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনায়াস জয় এনে দিল ব্রাজিলকে। যার সুবাদে আরও একবার গ্রুপের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে পড়ল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিরুদ্ধে আটকে যাওয়ার পর অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখছিলেন ব্রাজিলকে। প্রশ্ন উঠছিল এই ব্রাজিলকে আদৌ টুর্নামেন্টের ফেভারিট হিসাবে ধরা যাবে তো? বুধবার ভোররাতে স্কটিশদের বিরুদ্ধে অনেক প্রশ্নেরই জবাব দিয়ে দিল সাম্বা বয়েজ। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে সাম্বা ঝড় হয়তো দেখা গেল না, কিন্তু যে ফুটবলটা ব্রাজিলিয়ানরা খেললেন সেটা যে কোনও প্রতিপক্ষের বুকে ভয় ধরাতে বাধ্য।

গ্যালারি জুড়ে হাজার হাজার হলুদ পতাকার ভিড়। যেন আমেরিকার বুকে এক টুকরো ব্রাজিল। সেই সমর্থককুলকে মোটেই হতাশ করলেন না ভিনিসিয়াস-কুনহারা। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ক্যাসিমিরো, লুকাসরা অনেকটা ইউরোপীয় ঘরানার ট্যাকটিক্যাল অথচ উপযোগী ফুটবল খেললেন। ফল ৩-০ গোলের সহজ জয়। প্রথম গোলটা অবশ্য ভিনিসিয়াস পেয়েছিলেন পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো। ম্যাচের বয়স তখন মিনিট সাতেক। নিজেদের বক্সে বিশ্রী মিস পাস করে বলটি ভিনির পায়ে তুলে দিলেন স্কটিশ ডিফেন্ডার। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার কাছে ওই সুযোগ যেন মেঘ না চাইতেই জলের মতো। কোনও ভুল করলেন না ভিনি। গোলরক্ষককে ধরাশায়ী করে বল জালে। ওই গোল হজম করার পর খানিকটা লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিল স্কটিশরা। বেশ কিছুক্ষণ ব্রাজিলের উপর চাপও রেখেছিল। কিন্তু মারকুইনহসদের সেভাবে বিব্রত করতে পারেনি।

তৃণমূলের আমলে পাশ হওয়া নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারত তৈরি আপাতত বন্ধ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্কটল্যান্ডকে দাঁড়াতেই দিলো না ব্রাজিল

আপডেট : ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার

নিউজ ডেস্ক: ব্রাজিলের জার্সি গায়ে আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি আহামরি কিছু করলেন না, শুধু সুযোগসন্ধানী শিকারীর মতো প্রতিপক্ষের জালে দু’বার আঘাত হেনে বুঝিয়ে দিলেন, ব্রাজিল ফুটবলের পতাকাবাহী হয়ে বিশ্বকাপ কাঁপাতে তিনিও প্রস্তুত। ভিনির সেই জোড়া গোল এবং মাথেইস কুনহার নিখুঁত ফিনিশিং স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনায়াস জয় এনে দিল ব্রাজিলকে। যার সুবাদে আরও একবার গ্রুপের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে পড়ল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিরুদ্ধে আটকে যাওয়ার পর অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখছিলেন ব্রাজিলকে। প্রশ্ন উঠছিল এই ব্রাজিলকে আদৌ টুর্নামেন্টের ফেভারিট হিসাবে ধরা যাবে তো? বুধবার ভোররাতে স্কটিশদের বিরুদ্ধে অনেক প্রশ্নেরই জবাব দিয়ে দিল সাম্বা বয়েজ। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে সাম্বা ঝড় হয়তো দেখা গেল না, কিন্তু যে ফুটবলটা ব্রাজিলিয়ানরা খেললেন সেটা যে কোনও প্রতিপক্ষের বুকে ভয় ধরাতে বাধ্য।

গ্যালারি জুড়ে হাজার হাজার হলুদ পতাকার ভিড়। যেন আমেরিকার বুকে এক টুকরো ব্রাজিল। সেই সমর্থককুলকে মোটেই হতাশ করলেন না ভিনিসিয়াস-কুনহারা। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ক্যাসিমিরো, লুকাসরা অনেকটা ইউরোপীয় ঘরানার ট্যাকটিক্যাল অথচ উপযোগী ফুটবল খেললেন। ফল ৩-০ গোলের সহজ জয়। প্রথম গোলটা অবশ্য ভিনিসিয়াস পেয়েছিলেন পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো। ম্যাচের বয়স তখন মিনিট সাতেক। নিজেদের বক্সে বিশ্রী মিস পাস করে বলটি ভিনির পায়ে তুলে দিলেন স্কটিশ ডিফেন্ডার। রিয়াল মাদ্রিদ তারকার কাছে ওই সুযোগ যেন মেঘ না চাইতেই জলের মতো। কোনও ভুল করলেন না ভিনি। গোলরক্ষককে ধরাশায়ী করে বল জালে। ওই গোল হজম করার পর খানিকটা লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করেছিল স্কটিশরা। বেশ কিছুক্ষণ ব্রাজিলের উপর চাপও রেখেছিল। কিন্তু মারকুইনহসদের সেভাবে বিব্রত করতে পারেনি।