২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

ছেলে আর নেই, মায়ের কান্না ধ্বনিত হচ্ছে আকাশে বাতাসে

আনজুম মুনির, কলকাতা: বুধবার বাংলায় ঘটে গেলো এক মর্মান্তিক ঘটনা। যে ঘটনা নাড়িয়ে দিয়ে গেছে আমাদের সবাইকে। তারাতলায় একটা নির্ণিয়মান গুদাম ভেঙে পড়ে। হতাতের সংখ্যা প্রচুর। আহতদের সকলকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে। এরই মধ্যে খবর এল ভাটপাড়া থেকে। সেখানে একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল পরিবার। জানা গিয়েছে, ভাটপাড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাশা এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা চৌধুরী। তিনি ওই কারখানায় কাজ করছিলেন। এই মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকাজুড়ে। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। জানা গিয়েছে,মৃত কৃষ্ণা চৌধুরী পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। তাঁর আয়েই চলত সংসার। আচমকা এই দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুতে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবার। স্বাভাবিকভাবেই ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন পরিবারের সদস্যরা।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় ভাটপাড়ার পূর্বাশা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের দাবি, মৃতের পরিবারের পাশে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত দাঁড়ানো উচিত। মৃতের ভাইয়ের বৌ রেখা চৌধুরী যশোদা দেবী চৌধুরী বলেন, “আমরা তো জানতাম না কী হয়েছিল ওইখানে। হঠাৎ ফোন এল…মুখ্যমন্ত্রীকে বলব আমার পরিবারে ছোট ছোট বাচ্চা আছে। কিছু যেন সাহায্য করে। আপনি তো কী করব। একমাত্র আমার স্বামী জোগাড়ারের কাজ করেন। আর যে একটু রোজগার করত তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে গেল।” অপরদিকে, নিহত কৃষ্ণা চৌধুরীর মা যশোদা দেবী চৌধুরী বলেন, “পরশু দিন কাজে গিয়েছি বেসব্রিজে….।” এরপর আর কথা বলতে পারলেন না তিনি। এমন ঘটনায় চারিদিকে শোকের ছায়া।

তৃণমূলের আমলে পাশ হওয়া নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ইমারত তৈরি আপাতত বন্ধ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ছেলে আর নেই, মায়ের কান্না ধ্বনিত হচ্ছে আকাশে বাতাসে

আপডেট : ২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: বুধবার বাংলায় ঘটে গেলো এক মর্মান্তিক ঘটনা। যে ঘটনা নাড়িয়ে দিয়ে গেছে আমাদের সবাইকে। তারাতলায় একটা নির্ণিয়মান গুদাম ভেঙে পড়ে। হতাতের সংখ্যা প্রচুর। আহতদের সকলকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে। এরই মধ্যে খবর এল ভাটপাড়া থেকে। সেখানে একমাত্র উপার্জনকারীকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ল পরিবার। জানা গিয়েছে, ভাটপাড়া পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বাশা এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণা চৌধুরী। তিনি ওই কারখানায় কাজ করছিলেন। এই মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকাজুড়ে। প্রতিবেশী থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। জানা গিয়েছে,মৃত কৃষ্ণা চৌধুরী পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন। তাঁর আয়েই চলত সংসার। আচমকা এই দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুতে কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবার। স্বাভাবিকভাবেই ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন পরিবারের সদস্যরা।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় ভাটপাড়ার পূর্বাশা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের দাবি, মৃতের পরিবারের পাশে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত দাঁড়ানো উচিত। মৃতের ভাইয়ের বৌ রেখা চৌধুরী যশোদা দেবী চৌধুরী বলেন, “আমরা তো জানতাম না কী হয়েছিল ওইখানে। হঠাৎ ফোন এল…মুখ্যমন্ত্রীকে বলব আমার পরিবারে ছোট ছোট বাচ্চা আছে। কিছু যেন সাহায্য করে। আপনি তো কী করব। একমাত্র আমার স্বামী জোগাড়ারের কাজ করেন। আর যে একটু রোজগার করত তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে গেল।” অপরদিকে, নিহত কৃষ্ণা চৌধুরীর মা যশোদা দেবী চৌধুরী বলেন, “পরশু দিন কাজে গিয়েছি বেসব্রিজে….।” এরপর আর কথা বলতে পারলেন না তিনি। এমন ঘটনায় চারিদিকে শোকের ছায়া।