১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩

মুসলমানদের পবিত্র ইবাদত রজনী শবে মিরাজ

নতুন গতি ডেস্ক : শবে মিরাজ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এবং এই দিন রাত্রে মুসলিমরা বিভিন্ন জিকির, মাহফিল,  তসবি তেলাওয়াত ও নফল দুই রাকাত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে এবাদত করে থাকেন। সারা বিশ্বেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা এই দিনটি পবিত্র রজনী হিসেবে পালন করে থাকে।

লাইলাতুল মিরাজ বা মিরাজের রজনী, যা সাধারণ ভাবে শব-ই-মিরাজ নামে পরিচিত। ইসলাম ধর্মমতে, হজরত মোহাম্মদ (সা:) এই রাতে আল্লাহর ডাকে বোরাকে চেপে আকাশের দিকে আরোহণ করেন এবং আল্লাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়।

রাসুল সা: এঁর হাদিস ও ইসলামের ইতিহাস বলছে, রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে হজরত মোহাম্মদ (সা:) আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাত্‍ করেন এবং সারাদিনে পাঁচ বার সালাত আদায়ের হুকুম নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন তিনি। শবে-মিরাজ ইসলামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। হজরত মুহাম্মদ সা: ছাড়া অন্য কোনও নবী এই পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি।
এই সেই পবিত্র রাতেই নবী মোহাম্মাদ সা: জান্নাত ও জাহান্নাম পরিদর্শন করেন।
ইসলাম ধর্মে শবে মিরাজের বিশেষ গুরুত্ব হচ্ছে, এই মিরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মে নামাজ মুসলমানদের জন্য অবশ্য পালনীয় কর্তব্য বলে নির্ধারণ করা হয়।

এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সারা রাত ধরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। ইসলাম ধর্মে শব-ই-মিরাজ-এর রাতটিকেই সবচেয়ে ইবাদত পালন এবং সাওয়াব পাওয়ার রাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই রাতে যাঁরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তাঁদের ওপর তাঁর বিশেষ কৃপাদৃষ্টি বর্ষিত হয়।

মামূন ন্যাশনালের ধারাবাহিক সাফল্য উচ্চমাধ্যমিকেও

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মুসলমানদের পবিত্র ইবাদত রজনী শবে মিরাজ

আপডেট : ৪ এপ্রিল ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নতুন গতি ডেস্ক : শবে মিরাজ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এবং এই দিন রাত্রে মুসলিমরা বিভিন্ন জিকির, মাহফিল,  তসবি তেলাওয়াত ও নফল দুই রাকাত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে এবাদত করে থাকেন। সারা বিশ্বেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা এই দিনটি পবিত্র রজনী হিসেবে পালন করে থাকে।

লাইলাতুল মিরাজ বা মিরাজের রজনী, যা সাধারণ ভাবে শব-ই-মিরাজ নামে পরিচিত। ইসলাম ধর্মমতে, হজরত মোহাম্মদ (সা:) এই রাতে আল্লাহর ডাকে বোরাকে চেপে আকাশের দিকে আরোহণ করেন এবং আল্লাহর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়।

রাসুল সা: এঁর হাদিস ও ইসলামের ইতিহাস বলছে, রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে হজরত মোহাম্মদ (সা:) আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাত্‍ করেন এবং সারাদিনে পাঁচ বার সালাত আদায়ের হুকুম নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসেন তিনি। শবে-মিরাজ ইসলামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। হজরত মুহাম্মদ সা: ছাড়া অন্য কোনও নবী এই পরম সৌভাগ্য লাভ করতে পারেননি।
এই সেই পবিত্র রাতেই নবী মোহাম্মাদ সা: জান্নাত ও জাহান্নাম পরিদর্শন করেন।
ইসলাম ধর্মে শবে মিরাজের বিশেষ গুরুত্ব হচ্ছে, এই মিরাজের মাধ্যমেই ইসলাম ধর্মে নামাজ মুসলমানদের জন্য অবশ্য পালনীয় কর্তব্য বলে নির্ধারণ করা হয়।

এই রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা সারা রাত ধরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। ইসলাম ধর্মে শব-ই-মিরাজ-এর রাতটিকেই সবচেয়ে ইবাদত পালন এবং সাওয়াব পাওয়ার রাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই রাতে যাঁরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তাঁদের ওপর তাঁর বিশেষ কৃপাদৃষ্টি বর্ষিত হয়।