দেবজিৎ মুখার্জি: “প্রতিবাদের নামে অনির্দিষ্টকালের জন্য জায়গা দখল নয়” মঙ্গলবার জ্ঞানেশ-বিরোধী আন্দোলন সংক্রান্ত মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ শীর্ষ আদালতের। শুধু তাই নয়, কোর্টের তরফ থেকে নির্ধারিত স্থানগুলিতে কর্মসূচি পালনেরও নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলা হয়েছে।
বর্তমানে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম বড় আলোচনার বিষয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে রাজধানী দিল্লিতে বিরোধী ইন্ডি জোট ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) চলমান আন্দোলন। মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ, ‘ভোট চুরি’ করে ক্ষমতা এসেছে তারা। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি এবং পাল্টা দোষারোপ করেছে কংগ্রেসের সহ সমস্ত বিরোধীকে।
মামলার জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টেও। অক্টোবরে যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের পর গত রবিবার রামলীলা ময়দানে সভা করে ইন্ডি জোট, যার জেরে উৎসবের মরশুমে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় ব্যবসায়ীদের। তাঁরা ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন এর জন্য। সেই বিষয়টিও এদিন সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরা হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আপনারা চিরকালের জন্য কোনও জায়গা দখল করে রাখতে পারেন না। আরও অন্যান্য প্রতিবাদীরাও রয়েছেন। তাহলে কৃষকরা বা আইনজীবীরা কোথায় যাবেন? প্রতিবাদ করার অধিকার প্রত্যেকের আছে।”
পাশাপাশি, এদিন প্রধান বিচারপতি কেন্দ্রের জবাব দলের করেছেন উৎসবের মরশুমে প্রতিবাদ কর্মসূচি বন্ধের আর্জি জানিয়ে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির দায়ের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। এদিকে কেন্দ্রের সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য, “যাঁরা প্রতিবাদের ডাক দেন, কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট যে কোনও পরিণতির দায়ভারও তাঁদেরই নিতে হবে। গত ২০ জুলাইয়ের বিক্ষোভের অনুমতি শুধু একদিনের জন্যই দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা সেই জায়গাটি দখল করে নেন, এমনকী সংসদের দিকে মিছিলও করে।”
নতুন গতি 










