১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

বাংলায় বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কারখানা খুলছে আমুল

আনজুম মুনির, কলকাতা: নতুন রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবার কর্মসংস্থানের দিকে নজর দিয়েছেন। একদিকে সিঙ্গুরে টাটাদের নিয়ে আসা আর বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কেন্দ্র বাংলায় করা। রাজ্যের শাসকদলের তরফে ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল।

এবার আমুলের তরফেও একপ্রকার নিশ্চিত করে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, আমুলের ওই কারখানাটিতে দৈনিক ১০ লক্ষ কেজি দই, লস্যি, সরবৎ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য তৈরি হবে। বছরের পর বছর রাজ্যে ঘটা করে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন করেছে পূর্বতন তৃণমূল সরকার! সেই সম্মেলন থেকে দেওয়া হয়েছে একের পর এক প্রতিশ্রুতি। কিন্তু এরপরেও রাজ্যে কাটেনি শিল্প-খরা। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পরেই শিল্পের আশা জাগিয়ে ১০০ দিনের মধ্যে ম্যাজিক দেখানোর বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

তাঁর এহেন বার্তার কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলায় বড়সড় বিনিয়োগের বার্তা। আমুলের এমডি জয়েন মেহতা জানিয়েছেন, ওই বিনিয়োগের ব্যপারে সংস্থা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। জানা গিয়েছে, হাওড়ার সালকিয়া ফুড পার্কে ওই ডেয়ারি প্ল্যান্ট তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটাই হবে আমূলের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মালিকানাধীন ডেয়ারি প্ল্যান্ট। সব মিলিয়ে প্রায় ৬৫০ কোটির বিনিয়োগ হবে। তাতে বাংলায় যেমন দুগ্ধ পরিকাঠামো শক্তিশালী হবে, তেমনই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জোয়ার আসবে। জানা গিয়েছে গুজরাটেরই একটি সংস্থা দুই দফায় ওই কারখানা তৈরি করবে।

হলান্ডের জোড়া গোলে নরওয়ে হারাল ইরাককে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাংলায় বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কারখানা খুলছে আমুল

আপডেট : ২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: নতুন রাজ্য সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এবার কর্মসংস্থানের দিকে নজর দিয়েছেন। একদিকে সিঙ্গুরে টাটাদের নিয়ে আসা আর বিশ্বের বৃহত্তম দই উৎপাদন কেন্দ্র বাংলায় করা। রাজ্যের শাসকদলের তরফে ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল।

এবার আমুলের তরফেও একপ্রকার নিশ্চিত করে দেওয়া হল। জানা গিয়েছে, আমুলের ওই কারখানাটিতে দৈনিক ১০ লক্ষ কেজি দই, লস্যি, সরবৎ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য তৈরি হবে। বছরের পর বছর রাজ্যে ঘটা করে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন করেছে পূর্বতন তৃণমূল সরকার! সেই সম্মেলন থেকে দেওয়া হয়েছে একের পর এক প্রতিশ্রুতি। কিন্তু এরপরেও রাজ্যে কাটেনি শিল্প-খরা। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পরেই শিল্পের আশা জাগিয়ে ১০০ দিনের মধ্যে ম্যাজিক দেখানোর বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

তাঁর এহেন বার্তার কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলায় বড়সড় বিনিয়োগের বার্তা। আমুলের এমডি জয়েন মেহতা জানিয়েছেন, ওই বিনিয়োগের ব্যপারে সংস্থা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। জানা গিয়েছে, হাওড়ার সালকিয়া ফুড পার্কে ওই ডেয়ারি প্ল্যান্ট তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটাই হবে আমূলের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মালিকানাধীন ডেয়ারি প্ল্যান্ট। সব মিলিয়ে প্রায় ৬৫০ কোটির বিনিয়োগ হবে। তাতে বাংলায় যেমন দুগ্ধ পরিকাঠামো শক্তিশালী হবে, তেমনই কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জোয়ার আসবে। জানা গিয়েছে গুজরাটেরই একটি সংস্থা দুই দফায় ওই কারখানা তৈরি করবে।